বৃহস্পতিবার ইসির বৈঠক, যশোর পৌরসভায় ভোট হতে পারে ১১ মার্চ

যশোর পৌরসভার নির্বাচন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায়ের সার্টিফাইড কপি নির্বাচন কমিশনে (ইসি) পৌঁছেছে। বুধবার যশোর পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী হায়দার গনি খান পলাশ এই কপি পৌঁছে দেয়ার পাশাপাশি ঘোষিত তফসিলে নির্বাচনের জন্য আবেদন করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, যশোর পৌরসভা নির্বাচনের করণীয় নির্ধারণে বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনে একটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেই সভায় আগামী ১১ মার্চ যশোর পৌরসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত হতে পারে।

এর আগে মঙ্গলবার ঘোষিত তফসিল মেনেই যশোর পৌরসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণের আবেদন জানিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হায়দার গনি খান পলাশ। তিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কাছে এই আবেদন করেন তিনি। আবেদনপত্রের সাথে তিনি আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায়ের ল’ইয়ার সার্টিফিকেট সংযুক্ত করেছিলেন।

আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি যশোর পৌরসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণের কথা ছিলো। কিন্তু সীমানা সম্প্রসারণের পরও ভোটার তালিকায় নাম না থাকায় উপশহর, রামনগর ও চাঁচড়া এলাকার তিনজন হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন করেন। যার শুনানি শেষে গত ৯ ফেব্রুয়ারি আদালত এই নির্বাচনের উপর তিন মাসের স্থগিত আদেশ দেন। গত ১৮ ফেব্রুয়ারির হাইকোটের স্থগিতাদেশের কপি যশোর নির্বাচন অফিসে আসে। যার ভিত্তিতে ওই দিন বিকালে নির্বাচনী কার্যাক্রম স্থগিত করে যশোর নির্বাচন অফিস। তবে এর আগে দুপুরে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন। আর ২২ ফেব্রুয়ারি চেম্বার আদালতের আদেশ বহাল রাখেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের এই রায়ের ফলে যশোর পৌরসভা নির্বাচনের আইনি বাধা কেটে গেছে।

এমন পরিস্থিতিতে সোমবার যশোরে এসে প্রধান নির্বাচন কমিশনার মার্চের মাঝামাঝিতে যশোর পৌরসভা নির্বাচন করা হতে পারে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন। আর মঙ্গলবার ও বুধবার দুই দফা ঘোষিত তফসিল মেনেই নির্বাচনের জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে আবেদন করেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হায়দার গনি খান পলাশ।

এর আগে গত ১৯ জানুয়ারি যশোর পৌরসভার নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। এই নির্বাচনে মেয়র পদে নৌকার প্রার্থী হিসেবে হায়দার গনি খান পলাশ, ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে সাবেক মেয়র মারুফুল ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মাদ আলী সরদার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া ৯টি কাউন্সিলর ও তিনটি সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদের জন্য প্রার্থী আছেন ৬৫ জন।

স্বাআলো/এসএ