বিয়ে বাড়িতে নাচের ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩০

শরীয়তপুরে সদর উপজেলার মাহামুদপুর ইউনিয়নে বিয়ের অনুষ্ঠানে মেয়েদের নাচের ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষেরে ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় প্রায় ৩০ জন আহত হয়েছে।

শনিবার সকালে সদর উপজেলার মাহামুদপুর ইউনিয়নের ৪ ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মাহামুদপুর খানপাড়া গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় বেশ কিছু বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, ইদ্রিস রাড়ি (৩০), দুলাল সরদার (৭০), মামুন (২৪), মজিবর মোল্যা (৫৭), মানিক (২২), লিটন মাদবর (৩৫), মেম্বার হারুন অর রশিদ (৪০), বাবুল মাদবর (৪৫), রাসেল সরদার (২৫), আনছের সরদার (৫৫), জাহাঙ্গীর সিপাই (৪০), শিল্পী বেগম (৩০), ফজলু মুন্সী (৩৮), এবাদুল খা (৩০), আনোয়ার হোসেন (৩৯), রাজা খানের (৬০), ইয়াছিন (৩৫), পান্নু খান(৫৫) ও লিয়াকত খান (৬৫)। আহতদের শরীয়তপুর সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় রাজা খানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে ।

স্থানীয় সূত্র জানা গেছে, সম্প্রতি মাহামুদপুর খানপাড়া গ্রামের গফুর খাঁর মেয়ের বিয়ে হয়। বিয়ের অনুষ্ঠানে মেয়েদের নাচের ভিডিও ও ছবি মাবাইল ফোনে ধারণ করেন স্থানীয় ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার আছালউদ্দিন সরদারের বেশ কিছু লোকজন। ছবি তুলতে নিষেধ করায় গফুর খাঁর লোকজনের সাথে আছালউদ্দিন সরদারের লোকজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়।

পরে এর জেরে মাহাদপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার আছালউদ্দিন সরদার, কালাম ব্যাপারী সমর্থকদের সাথে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পন্নু খান, লিয়াকত খান সমর্থকদের মারামারি হয়। তখন ৪ জন আহত হন। ওই ঘটনার বিষয় নিয়ে আজ শনিবার সকালে মাহাদপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার আছালউদ্দিন সরদার, কালাম ব্যাপারী সমর্থকদের সঙ্গে পন্নু খান, লিয়াকত খান সমর্থকদের মধ্যে আবারও সংঘর্ষ বাধে।

এ সময় দুই পক্ষের প্রায় ৩০জন আহত হন। এ সময় বেশ কিছু বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। আহতদের সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় রাজা খানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মাহামুদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান ঢালী বলেন, পূর্বের ঘটনায় আমরা এলাকায় বসে মীমাংসা করে দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। আজ শনিবার আবার বড় ধরনের সংঘর্ষ বাধে।

এ বিষয়ে পালং মডেল থানার ওসি আকতার হোসেন বলেন, আগের মামলার আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। আজকের ঘটনায় এখনো কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেনি। অভিযোগ পেলে ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেব।