কাবিলার মুক্তির দাবি দর্শকদের

হুমায়ুন আহমেদের ‘কোথাও কেউ নেই’ নাটকে বাকের ভাইয়ের ফাঁসি দর্শকের মাঝে তীব্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছিলো। সে ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখা গেলো এবার ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ নাটকে। মঙ্গলবার শেষ হয়েছে নাটকটির তৃতীয় সিজন।

শেষ পর্বে ঘটনাক্রমে পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে নাটকটির আলোচিত চরিত্র কাবিলা। তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ সময় বন্ধু শুভকে কাবিলা বলেন, তোরা যদি পারস আমারে ছাড়ানোর ব্যবস্থা কর। কাবিলার এ পরিণতি মেনে নিতে পারছেন না ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ নাটকের ভক্তরা।

‘বাংলা নাটক’ আর ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ নাটকের গ্রুপে কাবিলা মুক্তির দাবি করেছেন অনেকে। উসমান মিয়া নামের একজন লিখেছেন, কাবিলা ভাইয়ের মুক্তি চাই। রোকেয়া আপার লগে কাবিলা ভাইয়ের দেখা করার দাবি জানাই। দিপু খান লিখেছেন, আমাদের কাবিলার কিছু হলে জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে’।

দর্শকের এসব প্রতিক্রিয়া পর্দার কাবিলাকে নিয়ে। এ চরিত্রে অভিনয় করেছেন জিয়াউল হক পলাশ। শুরু থেকেই এ চরিত্রে আলোচিত তিনি। দর্শকের এ প্রতিক্রিয়া নজরে এসেছে পরিচালক কাজল আরেফিন অমির। তিনি বলেন, শেষ পর্ব প্রচারের পর দর্শকের ফোনের কারণে টিকতে পারছি না। এটাও ভালোবাসা। আমার কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিলো তিনটি সিজনে দর্শককে ধরে রাখা। সে জায়গাটি করতে পেরেছি। আলহামদুলিল্লাহ।

ব্যাচেলর পয়েন্ট থেকে বাদ যাওয়ার কারণ জানালেন তৌসিফ ও শামীম

কাবিলাকে মুক্ত করা এবং ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ নাটকের নতুন সিজন শুরু করার ব্যাপারে এ নির্মাতা বলেন, আমি আসলে এখনো নতুন সিজন নিয়ে ভাবিনি। তবে যদি আমি বেঁচে থাকি তাহলে তাদের জীবনের পরবর্তীতে কী ঘটছে তা অবশ্যই দেখাবো। কোনো না কোনো সিজনে অবশ্যই তা প্রকাশ করবো, কিন্তু ইমিডিয়েট না।

দর্শকদের এ ভালোবাসাকে নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে চান কাজল আরেফিন অমি। লম্বা সময় ধরে নাটকটির সঙ্গে থাকার জন্য দেশ-বিদেশের অসংখ্য ভক্ত, দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তিনি।

মোশন রক এন্টারটেইনমেন্টের প্রযোজনায় নির্মিত এ নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন মিশু সাব্বির, মারজুক রাসেল, তৌসিফ মাহবুব, চাষি আলম, শামীম হাসান সরকার, জিয়াউল হক পলাশ, মুসাফির শোয়েব, সানজানা সরকার রিয়া, শিমুল প্রমুখ। ব্যাচেলর হয়ে বাসায় থাকা বন্ধুদের গল্প তুলে ধরা হয়েছিলো এবারের সিজনে।

স্বাআলো/এস