এসপির উপস্থিতিতে যশোরে সর্বাত্মক লকডাউন

যশোরে কঠোরভাবে পালিত হচ্ছে সর্বাত্মক লকডাউনের প্রথম দিন। অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অধিকাংশ মানুষ ঘরের বাইরে বের হয়নি। যারা নির্দেশনা অমান্য করেছেন তাদেরকে কড়া সতর্কতা দেখিয়ে বাড়িতে ফেরত পাঠিয়েছে পুলিশ। সকাল থেকে লকডাউন পরিপূর্ণভাবে বাস্তবায়নে মাঠে ছিল পুলিশ সদস্যরা। খোদ পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার মাঠে থেকে কার্যক্রম তদারকি করেছেন।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকার বুধবার থেকে দেশব্যাপী সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করে। লকডাউনে প্রায় অচল হয়ে পড়েছে যশোর। সকাল থেকে শহর ছিল প্রায় ফাঁকা। সেখানে অবস্থান নেন পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা।কয়েকজন নির্দেশনা অমান্য করছেন তাদেরকে কঠোরভাবে সতর্ক করে বাড়িতে ফেরত পাঠাতে দেখা গেছে পুলিশ সদস্যদের।

যশোরে সর্বাত্মক লকডাউন চলছে, একদিন আগে শহরের বড়বাজারে যেখানে মানুষের উপস্থিতিতে পা ফেলার জায়গা ছিল না সেখানে কোনো দোকান খোলা দেখা যায়নি। বিকেল ৩টা পর্যন্ত কাঁচা বাজার খোলা থাকায় কিছু মানুষ কেনাকাটা করে ওই পথ দিয়ে বের হয়েছেন। বড়বাজারের পাশাপাশি রেলস্টেশন, চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডেও খোলা ছিল কাঁচা বাজার। সকালের দিকে বাজারে মানুষের উপস্থিতি একটু বেশি থাকলেও সময় যত গড়িয়েছে বাজার তত ফাঁকা হয়েছে। তবে, বাজারে মাছ তরতাকির আমদানি বেশি দেখা যায়নি। দুপুরের মধ্যেই অধিকাংশ তরকারির দোকান খালি হয়ে যায়। সরবরাহ কম থাকায় দোকানিরা জিনিসের দাম নিয়েছেন মাত্রাতিরিক্ত বেশি।

এদিকে, লকডাউনে কোনো বিপনিবিতান খোলা হয়নি। কাঁচাবাজার এলাকায় দু’ একটি চায়ের দোকান খোলা দেখা গেলেও হোটেল-রেস্তোরাঁ ছিল বন্ধ। কাঁচাবাজারের কারণে শহরে কিছু ইঞ্জিনচালিত ও পায়েচলা রিকশা-ভ্যান দেখা গেলেও সংখ্যা ছিল খুবই কম। অন্যকোনো যানবাহন চলতে দেখা যায়নি। যশোর কেন্দ্রীয় বাসটার্মিনাল এলাকায় বিরাজ করছে শুনসান নীরবতা।

এদিকে, যশোরের এসপি প্রলয় কুমার জোয়ারদার নিজে গাড়িতে করে শহরময় ঘুরে বেড়িয়েছেন লকডাউনের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে।

স্বাআলো/এসএ