রমজানে কেমন হবে জীবনযাপন?

শুরু হয়েছে মুসলিম ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে পবিত্র মাস রমজান। একমাস আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে সিয়াম সাধনা পালন করে মুসলিম ধর্মপ্রাণ মানুষ। রমজানে সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতার ও সেহেরির খাবার যেনো সঠিক হয় সে বিষয়ে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। অতিরিক্ত রোদ গরমে সারাদিন পানাহার থেকে বিরত থাকলে দেখা দিতে পারে অনেক সমস্যা। এজন্য কিছু নিয়ম অবশ্যই মেনে চলতে হবে।

রমজানে খাবার: সারাদিন রোজা রাখার পর এমন খাবার খাওয়া উচিত যা ডিহাইড্রেশন রোধ করতে পারে। ইফতারে প্রচুর পরিমাণে পানি, পানিজাতীয় খাবার, টাটকা ফল, খেজুর, অল্প চিনি খাওয়া উচিত। একসাথে বেশি খাবার খাওয়া কখনোই উচিত না। ড্রাই ফ্রুটস,চিড়া দই খাওয়া যেতে পারে। তেলে ভাজা জিনিস খাওয়া বাদ দিতে হবে। একবারে বাদ দেয়া না গেলেও আস্তে আস্তে কমাতে হবে। এমনটাই বলছেন পুষ্টিবিদরা।

যে খাবারগুলো তৃষ্ণা নিবারণ করে যেমন তরমুজ, দই, বাটার মিল্ক রাখতে পারেন তালিকায়। এছাড়া প্রোটিনের উৎস হিসেবে ডিম, ডাল খাওয়া যেতে পারে। শরীরের জন্য উপকারী ফ্যাট সামান্য ঘি, অ্যাভোকাডো রাখতে পারেন তালিকায়।

পবিত্র মাহে রমজানের প্রথম জুমা আজ

উপকারী টিপস: আপনি রাতের প্রধান খাবার অর্থাৎ মেইন মিল খাওয়ার আগে একটি প্রার্থনা বিরতি নিন। সম্ভব হলে কিছু সময় ব্যায়াম করার চেষ্টা করুন। হালকা ইফতারের পর রাতের খাবার খাওয়ার আগে নামাজের জন্য সময় রাখুন। রাতের খাবার প্লেটে ৩০ শতাংশ কার্ব, ৩০ শতাংশ ডাল এবং ৩০ শতাংশ উচ্চ ফাইবারযুক্ত শাক রাখুন। খিচুড়িও খেতে পারেন, সাথে রাখতে পারেন মুরগির মাংস।

এছাড়া ফল অবশ্যই খেতে হবে। আপনার যদি ডায়াবেটিস থাকে তাহলে তো আর কথাই নেই। ওজন নিয়ন্ত্রণে আনতে হলেও ফল খান।

রমজানের পবিত্রতা রক্ষার আহবান প্রধানমন্ত্রীর

যা এড়িয়ে চলবেন: চিনি, মিষ্টি এবং বেশি মিষ্টি বাজারের কেনা ফলের রস এড়িয়ে চলুন যা আপনার রক্তে চিনির পরিমাণ বাড়িয়ে তুলবে। এতে করে আপনি পরদিন যখন রোজা রাখবেন তখন আপনার বেশি ক্ষুধা লাগবে আর আপনি অনেক ক্লান্ত অনুভব করবেন।

স্বাআলো/এস