শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া ভালো

মকবুল হোসেন: যেখানে পুরো বাংলাদেশ করোনা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে, প্রতিদিন করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত বাড়ছে। সেখানে শুধু শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি মুক্ত রাখার রহস্য কি তা কারোর বোধগম্য নয়। এমনিতেই শিশু, কিশোর ও তরুণদের মৃত্যুর হার তুলনামূলকভাবে অনেক কম। সেখানে এমন সিদ্ধান্ত কতটুকু গুরুত্ববহ তা গভীরভাবে ভেবে দেখা অত্যন্ত জরুরী।

গত দেড় বছর ধরে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে অনেক শিক্ষার্থী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে নিরবে ঝরে পড়ছে। অনেক কিশোর-কিশোরী বিভিন্ন অনৈতিক কাজের সাথে জড়িয়ে পড়ছে। দেশে বাল্যবিয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিশোরীরা অপরীণত বয়সে সন্তানের মা হচ্ছে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেয়ার জন্য শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষক/ শিক্ষিকারাও রাস্তায় নেমেছেন। অথচ সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক/শিক্ষিকারা ঘরে বসে ঘুমাচ্ছেন আর বেতন তুলছেন।শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে তাদের কোন মাথা ব্যথা নেই। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অবিলম্বে খুলে দেয়ার দাবি দিনদিন জোরালো হচ্ছে।

শেখ হাসিনার হাতে থাকলে দেশ, পথ হারাবে না বাংলাদেশ

প্রশ্ন দেখা দিয়েছে যখন গণপরিবহন,শিল্প কলকারখানা, হাটবাজার,অফিস আদালতসহ সবকিছু চলছে তখন কেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেয়া হচ্ছে না? বারবার খোলার তারিখ দেয়া হলেও করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধির দোহায় দিয়ে তা আবার পিছিয়ে দেয়া হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে। আশা করা যায় এবার আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার তারিখ পেছানো হবেনা। খুলে দেয়া হোক সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

লেখক: প্রবীণ সাংবাদিক ও যশোর সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক

স্বাআলো/আরবিএ