স্বাস্থ্যবিধিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর ফল গুনছে দেশ!

স্বাস্থ্যবিধি না মানায় সীমান্তবর্তী এলাকায় করোনা সংক্রমণের হার বাড়ছে, যা নিয়ে উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্য অধিদফতর।

প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক বলছেন, পরিস্থিতি সামাল দিতে বিধিনিষেধ জারির পাশাপাশি, ওইসব এলাকা কিভাবে টিকার আওতায় আনা যায় সেটা নিয়ে ভাবছেন তারা। এরই মধ্যে প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠানো হচ্ছে। পরিকল্পনা রয়েছে চিকিৎসক পাঠানোরও।

করোনাভাইরাসের নতুন হটস্পট দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল, শনাক্তের হার ৭০ শতাংশ

করোনার তৃতীয় ঢেউ কী তাহলে আসন্ন? নাকি স্বাস্থ্যবিধিকে বৃদ্ধাঙ্গুলির দেখানোর ফল গুনতে শুরু করেছে দেশ! গত কয়েক দিন ধরে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে সংক্রমণের অস্বাভাবিক উর্ধ্বগতি এবং সামগ্রিকভাবে সারাদেশে এই হার বাড়তে থাকাটা উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়ে।

এই পরিস্থিতিতে নানা বিধিনিষেধ জারি করে করোনার লাগাম টেনে ধরার চেষ্টা করছে স্থানীয় প্রশাসন। তবে তাতে যে সংক্রমণের চিত্রটা তেমন একটা বদলায়নি তা প্রায় স্পষ্ট। এই পরিস্থিতিতে কী ভাবছে স্বাস্থ্য অধিদফতর? উদ্বেগের কারণ হলেও টিকা এবং মাস্কের বিকল্প দেখছেন না স্বাস্থ্যের ডিজি অধ্যাপক আবুল বাশার খুরশীদ আলম।

খুলনা বিভাগে করোনায় মৃত্যু ৬৯৫, আক্রান্ত ৩৮ হাজার ছাড়ালো

তিনি জানান, গ্রামীণ বিশাল জনগোষ্ঠিকে টিকার আওতায় আনাটা চ্যালেঞ্জের হলেও এই মুহূর্তে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোকে। গ্রামে পৌঁছানো যায় এমন টিকার উৎসেরও খোঁজ শুরু হয়েছে।

স্বাস্থ্যের ডিজি আরো জানান, গ্রামের বেহাল স্বাস্থ্য সেবার উন্নয়নে যতটা সম্ভব কাজ চলছে। অগ্রাধিকার তালিকা ধরে পাঠানো হচ্ছে নানা সরঞ্জাম। সেই থাকে ঢাকা থেকে চিকিৎসক পাঠানোর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

এই পরিস্থিতিতে রাজশাহী ও খুলনা অঞ্চলের আমের হাটগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করারও তাগিদ দেন তিনি।

স্বাআলো/এসএ