লকডাউনে ঘরে বসে যা করতে পারেন

বিশ্বব্যাপী চলমান মহামারিতে লকডাউন শব্দটির সঙ্গে আমাদের ঘনিষ্ঠতা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। কমবেশি সবার কাছেই এটি একটি বিরক্তিকর বিষয়।

কারণ টিভি দেখে, গল্প করে কিংবা ফেসবুকিং করে কতক্ষণই বা ঘরে বসে সময় কাটানো যায়। এক নজরে দেখে নিন লকডাউনে ঘরে বসে আনন্দে সময় কাটানোর কিছু টিপস-

দক্ষতা বাড়ান: বিভিন্ন অনলাইন কর্মশালা ও প্রশিক্ষণে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আপনি দক্ষতা বাড়াতে পারেন। তাতে আপনি পেশাগত জীবনে লাভবান হবেন। নতুন নতুন অভিজ্ঞতার সাথে পরিচিত হন। বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহারে দক্ষ হয়ে উঠলে অফিসে আপনার প্রয়োজন বেড়ে যাবে।

ঘরে বসে আয় করুন: ঘরে বসে আয় করার জন্য ফ্রিল্যান্সিং সেরা উদাহরণ হতে পারে। দক্ষতা থাকলে আপনিও ঘরে বসে আয়ের পথ বেছে নিতে পারেন। এতে লকডাউনেও পরিবারের ব্যয় নির্বাহ করা সম্ভব হবে। যেমন ওয়েব ডেভেলপিং, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, কনটেন্ট রাইটিংসহ নানাবিধ কাজের মধ্য দিয়ে সময় কাটানো যেতে পারে।

শিশুর স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির সহজ ৫ উপায়

পরিবারকে সময় দিন: অফিসের কাজের চাপ অথবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পড়াশুনার চাপের কারণে আমরা অনেকেই পরিবারকে সময় দিতে ভুলেই গিয়েছি। তবে চলমান পরিস্থিতিতে লকডাউন আমাদের সেই সুযোগ করে দিয়েছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলুন, কার কী পরিকল্পনা- সে বিষয়ে নিয়ে আলোচনা করুন। তখন আর লকডাউনকে একদমই বিরক্তিকর মনে হবে না।

ধর্মচর্চা করুন: আপনি যে ধর্মের হয়ে থাকুন না কেনো, সেই ধর্মের চর্চা করুন। লকডাউনে বিরক্ত না হয়ে ধর্মীয় কাজ করুন। মুসলমান হিসেবে ৫ ওয়াক্ত নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত এবং সম্ভব হলে রোজা ও হাদিসের জ্ঞান অর্জন করতে থাকুন। অন্য ধর্মাবলম্বীরা তাদের প্রার্থনা-রীতি অনুযায়ী আরাধনা করতে পারেন।

বই পড়ুন: বই পড়ার চেয়ে মজার আর কি হতে পারে! বিশেষ করে দীর্ঘস্থায়ী লকডাউনের কারণে যারা বিরক্ত হচ্ছেন, তারা এই সুযোগে বই পড়ার অভ্যাসটা করে ফেলুন। একনিষ্ঠ হয়ে বই পড়লে সময় যে কখন চলে যাবে আপনি বুঝতেই পারবেন না। আপনি যদি বই পড়ুয়া না হন, তাহলে লকডাউনই পড়ার জন্য ভালো সময়। এতে আপনার জ্ঞান বাড়বে। ইতিহাস, অর্থনীতি ও রাজনীতি বিষয়ক বই বেশি পড়বেন।

ছেলেদের যে বিষয়গুলো সবার আগে খেয়াল করে মেয়েরা

ব্যায়াম করুন: লকডাউনে শরীরের প্রতি একটু বাড়তি মনোযোগ দিন। ব্যস্ততার কারণে আমাদের অনেকেরই শরীর চর্চাটা আর করা হয় না। কিন্তু চলমান লকডাউনে এই সুযোগটা নিতে পারেন। নিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমে শরীরের মেদ কমানো যেতে পারে। তাতে শরীরও ভালো থাকবে।

আত্ম-সমালোচনা ও আত্ম-উন্নয়নে জোর দিন: আত্ম-সমালোচনা করুন নিজের ত্রুটিগুলো নিয়ে ভাবুন, তারপর সেগুলো সংশোধন করার চেষ্টা করুন। লকডাউনের এই অবসরে আত্ম-উন্নয়নের কাজটাও করে ফেলেন।

সম্পর্কের উন্নয়ন: পরিচিত কারো সাথে যদি কোনো কারণে সম্পর্কের অবনতি ঘটে থাকে তাহলে এই সময়ে সেটার উন্নয়ন ঘটিয়ে ফেলুন।

স্বাআলো/এস