শোক দিবস উপলক্ষে চুড়ামনকাটিতে এমপি নাবিলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল ও গণভোজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে যশোরের চুড়ামনকাটি ইউনিয়নে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) বিকালে ইউনিয়নের আমবটতলা বাজারে দোয়া মাহফিলের আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে গণভোজ বিতরণ করা হয়।

যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদের উদ্যোগে ও সদর উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বিপুলের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সমগ্র আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর সদর উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বিপুল।

শোক দিবস উপলক্ষে আয়শা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আলোচনা সভা ও বৃক্ষ রোপন

চুড়ামনকাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি দাউদ হোসেন দফাদার, জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন, লেবুতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলীমুজ্জামান মিলন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আবু মুসা মধু, সদর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহবায়ক মাজহারুল ইসলাম মাজহার ও শহীদুজ্জামান।

চুড়ামনকাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গিয়াস উদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি আনোয়ার হোসেন বিপুল বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে বাংলার নিশ্চিত বিজয় দেখে পাকিস্তানিদের ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে মেজর ডালিম, ফারুকসহ ষড়যন্ত্রকারীরা শেষের দিকে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়। এটা ছিলো পাকিস্তানিদের ষড়যন্ত্রের নীল নকশা। সুকৌশলে তারা মুক্তিযুদ্ধের সর্বোচ্চ খেতাবও নেন। জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে তারা কৌশল অবলম্বন করেন। পরবতীতে বঙ্গবন্ধুসহ তাঁকে স্বপরিবারে হত্যা করেন। দেশে ধ্বংসলীলা শুরু করেন। পাকিস্তানিরা যুদ্ধে পরাজিত হয়ে কৌশলে এভাবেই সর্বোচ্চ ক্ষতি করেন। তারা মনে করতো বঙ্গবন্ধু না থাকলে বাংলাদেশ কখনো মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে না। তারা জানতো না বঙ্গবন্ধু আর্দশকে বাংলার মাঠি থেকে কখনো মুছে ফেলা সম্ভব নয়। এই পরাজিত শক্তিরা এখনো নামে বেনামে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। এদেরকে প্রতিহত করতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

এমপি নাবিল আহমেদের পক্ষে উপজেলা চেয়ারম্যান বিপুলের গণভোজ বিতরণ অব্যাহত

জেলা ছাত্রলীগের সাবেক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক বিএম টিপু সুলতানের সঞ্চলনায় বক্তব্য রাখেন, চুড়ামনকাটি ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক মাহাবুব হাসান রানু, ইউপি সদস্য গিয়াস উদ্দিন ও চুড়ামনকাটি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি তানভীর রকসি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চুড়ামনকাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম শরীফ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জেল হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল জলিল, ইউপি সদস্য আব্দুস সবুর খান, আনিসুর রহমান, আব্দুল মান্নান, সিরাজুল ইসলাম, গোলাম মোস্তফা, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি জাবের হোসেন জাহিদ, সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আহসানুল করিম রহমান, উপ-শিক্ষা ও পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক রেযোয়ান হোসেন মিথুন, জেলা ছাত্রলীগের বর্তমান সহ-সভাপতি রুহুল কুদ্দুস, শহর মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সভাপতি আব্দুল কাদের, সাধারণ সম্পাদক তসিকুর রহমান রাসেল, বঙ্গবন্ধু ছাত্র আইন পরিষদের জেলা সভাপতি মশিয়ার রহমান শান্ত প্রমুখ।

স্বাআলো/এস

.