সোনালি আঁশের সোনালি দিন

গত বছর পাটের দাম ভালো পাওয়ায় যশোরে এ বছরে পাটের আবাদ বেড়েছে। কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, এ বছর জেলায় ২৫ হাজার হেক্টর জমিতে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। সেখানে অতিরিক্ত চাষ হয়েছে ১ হাজার ১২৫ হেক্টর। কৃষকেরা বলছেন, ফলন ভালো হয়েছে, দামও ভালো। পাট রোপণ থেকে আঁশ ছড়িয়ে রোদে শুকানো পর্যন্ত বিঘা প্রতি খরচ হয়েছে প্রায় ১৫ হাজার টাকা। বর্তমানে বাজারে প্রকারভেদে প্রতি মণ পাট ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ২শ’ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। দেশে বহুমুখী পাটের ব্যবহার ও আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা বাড়লে দাম আরো বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন আড়ৎদার ব্যবসায়ীরা। পানিতে জাগ (পচানো) দেয়া পাট থেকে বর্তমানে সোনালি আঁশ ছড়ানো ও পাটকাঠি আলাদা করার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষি শ্রমিকেরা। ছবি তুলেছেন নাজমুস সাকিব আকাশ।

পানির নিচ থেকে টেনে তোলা হচ্ছে ১২০ দিন পর্যন্ত জাগ (পচানো) দেয়া পাট

আঁশ ছড়িয়ে যত্ন সহকারে পাটকাঠি আলাদা করা হচ্ছে

ছড়ানো আঁশ শেষবারের মতো পানিতে ধুয়ে আটি বাধছেন এক কৃষি শ্রমিক

বিলের মধ্যে থেকে পাটখড়ি নিয়ে তোলা হচ্ছে রাস্তায় 

    ছড়ানো আঁটি বাঁধা আঁশ গাইট বেধে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে

কাজের ফাঁকে সকালের খাবার খাচ্ছেন এক পাট চাষি

ইঞ্জিনচালিত গাড়ি বোঝাই করে নেয়া হচ্ছে পাটকাঠি

ভেজা পাটের আঁশ বাঁশের আড়ায় রোদে শুকানো হচ্ছে

জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের পাশাপাশি পাটকাঠি বিক্রিও হয়। তাই এটি শুকানো হয় সযত্নে