আ.লীগ-বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, ছাত্রলীগ নেতা নিহত

জেলা প্রতিনিধি, লক্ষ্মীপুর: জেলার রামগঞ্জ উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে এক ছাত্রলীগ নেতা নিহত হয়েছেন।

রবিবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলার ইছাপুর ইউপির নয়নপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও দলের বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

শার্শায় পোস্টার লাগানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, প্রাণ গেলো একজনের

নিহত ছাত্রলীগ নেতার নাম সাজ্জাদুর রহমান ওরফে সজীব (২৫)। তিনি ইছাপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি।

রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন ছাত্রলীগ নেতা সাজ্জাদুর রহমানের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, লাঠির আঘাতে সাজ্জাদুরের মাথায় জখম হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেয়ার পথে তিনি মারা যান।

সাজ্জাদুর উপজেলার ইছাপুর ইউনিয়নের ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটির সভাপতি। গত ১৫ নভেম্বর সাবেক কমিটি বিলুপ্তির পর তাকে সভাপতি করে নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছিল।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ইছাপুর ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন শাহানাজ আক্তার। দলের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করছেন আমির হোসেন খান। রবিবার বিকেলে নয়নপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। এ সময় লাঠির আঘাতে ছাত্রলীগ নেতা সাজ্জাদুর মারাত্মক আহত হন। তিনি নৌকার প্রার্থীর সমর্থক ছিলেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী আমির হোসেন রামগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে গিয়ে নির্বাচন করায় গত ১৬ নভেম্বর তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

রামগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কামরুল হাসান ফয়সাল বলেন, নিহত সাজ্জাদুর উপজেলার ইছাপুর ইউনিয়নের ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটির সভাপতি। তিনি ইছাপুর ইউনিয়নের নৌকার প্রার্থী শাহিনুর আক্তারের পক্ষে ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বে ছিলেন। ১৫ নভেম্বর সাবেক কমিটি বিলুপ্তির পর তাকে সভাপতি করে নতুন কমিটি গঠন করা হয়।

স্বাআলো/এসএ