বাজেটের আগেই দাম বাড়লো সিগারেটের, ক্রেতাদের ক্ষোভ

জাতীয় বাজেটে প্রতি বছরই বাড়ানো হয় তামাকপণ্যের দাম। আর এ কারণেই বাজেট ঘোষণায় আগেই সিন্ডিকেট করে সিগারেটের দাম বাড়িয়ে দেন ডিলার ও ডিস্ট্রিবিউটররা। এবারও এর ব্যত্যয় ঘটেনি। ইতোমধ্যে যশোরে খুচরা বাজারে সব সিগারেটেই শলাকা প্রতি দাম বেড়েছে এক টাকা করে।

এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ক্রেতারা বলেন, গত বছর বাজেটের দুই-তিন দিন আগে দাম বেড়েছিলো। কিন্তু এবার অনেক আগেই সিন্ডিকেট করে দাম বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

তবে খুচরা বিক্রেতাদের দাবি, গত দুই-তিন দিন থেকে কোম্পানির ডিস্ট্রিবিউটররা সিগারেট সরবরাহ করছেন না। তাই বাধ্য হয়ে ডিলারদের কাছ থেকে আগের দামের থেকে বেশি দামে সিগারেট কেনার ফলে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

শনিবার (২১ মে) বিকেলে যশোরের দড়াটানা, ধর্মতলা, বড়বাজার, পালবাড়ি ঘুরে দেখা গেছে, সব ধরনের সিগারেটই শলাকা প্রতি আগের দরের চেয়ে এক টাকা বেশি ধরে বিক্রি হচ্ছে। গত ২-৩ দিন থেকেই এই বেশি ধরে সিগারেট বিক্রি হচ্ছে বলে জানান বিক্রেতারা।

ক্ষোভ প্রকাশ করে এক ক্রেতা বলেন, গত বছর বাজেটের দুই-তিন দিন আগে সিগারেটের দাম বেড়েছিলো। কিন্তু এবার সিন্ডিকেট করে মাস খানেক আগে দাম বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

একাধিক খুচরা বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ডার্বি, রয়েল, হলিউড, মেরিজসহ পাঁচ টাকা শলাকা দামের সিগারেটগুলো এখন বিক্রি হচ্ছে ছয় টাকা। আট টাকা শলাকা দামের স্টার সিগারেট বিক্রি হচ্ছে নয় টাকা। গোল্ডলিফ প্রতি শলাকা আগে ছিলো ১১ টাকা। তা এখন বিক্রি হচ্ছে ১২ টাকা। বেনসন, মার্লবোরোসহ ১৫ টাকা শলাকা দামের সিগারেটর এখন বিক্রি হচ্ছে ১৬ টাকা।

সাদ্দাম হোসেন বলেন, সিগারেটের গায়ের দাম কিন্তু আগের মতোই আছে। অথচ ডিলাররা সিন্ডিকেট করে দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। এখানেতো আমাদের কিছু করার নেই। বাধ্য হয়ে বাড়তি দামে সিগারেট কিনতে হচ্ছে।

বিক্রেতা মিন্টু মিয়া বলেন, আগে যে দামে সিগারেট কিনছিলাম, সেই দামে আর কিনতে পারছি না। বাধ্য হয়ে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

স্বাআলো/এসএ

.

Author
নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর