সাংবাদিক নামধারী অপরাধীদের আর ছাড় নয়

এক আঞ্চলিক দৈনিকের দামুড়হুদা প্রতিনিধি হাবিবুর রহমান হাবিবকে ৬০ পিস ইয়াবাসহ আটক করেছে পুলিশ। ওই সাংবাদিকের বাড়ি দামুড়হুদার দশমীপাড়ায়। অনলাইন নিউজ পোর্টাল স্বাধীন আলো সংবাদটি প্রকাশ করেছে।

সংবাদে বলা হয়েছে, ২৩ মে সাত সাড়ে ৯টার দিকে দামুড়হুদা থানার পুলিশ তাকে ইয়াবাসহ আটক করে। সাংবাদিক পরিচয়ের আড়ালে দীর্ঘদিন যাবৎ মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত মর্মে অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

দামুড়হুদা প্রেসক্লাব সভাপতি এম নুরুন্নবী বলেন, হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে আগেও মাদক সংক্রান্ত অভিযোগ ছিলো। আমরা তাকে বেশ কয়েকবার সর্তক করেছি। এ বিষয়ে জরুরি সভার আহবান করা হয়েছে। সকল সদস্যের মতামতের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সাংবাদিক পরিচয়ে প্রতিনিয়ত প্রতারণার খবর পাওয়া যায়। যতদূর জানা যায়, এক শ্রেণির পত্রিকা আছে যেগুলোকে ‘আন্ডারগ্রাউন্ড’ পত্রিকা বলা হয়। এ সব পত্রিকার দায়িত্বশীল কর্মকর্তারাই মূল প্রতারক। সাংবাদিকতা তাদের নেশা-পেশা কিছুই না। পত্রিকার নাম ভাঙিয়ে মানুষের ভয় ভীতি দেখিয়ে টাকা বাগানো তাদের কাজ। তারা বাহারী পরিচয়পত্র তৈরি করে মর্যাদাপূর্ণ (?) পদ দিয়ে এজেন্ট-প্রতারকদের কাছে বিক্রি করে। তাদের সাথে কথিত প্রকাশক/সম্পাদকের চুক্তি থাকে গ্রাম-জনপদ চষে খাও। পারসেন্টেজ পাঠাও। তিক্ত হলেও সত্য, প্রকাশ্য অনেক পত্রিকার বিরুদ্ধেও এমন অভিযোগ আছে। তারা সাংবাদিকতার পবিত্র অঙ্গন কলুষিত করছে দারুণভাবে।

এদের বিরুদ্ধে তেমন কিছু দেখা যায় না বলে এ ধরনের প্রতারকের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই যাচ্ছে। অবস্থা যা তাতে একদিন দেখা যাবে প্রকৃত সাংবাদিকরা পথে নামতে পারছেন না। এমন অবস্থা যে ইতোমধ্যে সৃষ্টি হয়নি তাও বলা যাবে না। অথচ এই মহৎ পেশাটি এক সময় অত্যন্ত সম্মানজনক ছিলো। সাংবাদিকরা ছিলেন সবার সম্মান-শ্রদ্ধার পাত্র। সাংবাদিকদের মর্যাদা রক্ষায় সাংবাদিকদের দৃঢ় পদক্ষেপে এগিয়ে আসতে হবে। সেই সাথে এ সব টাউট বাটপাড়দের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেয়া অত্যন্ত জরুরী।

.