খুলনা ও বরিশালে সনদ জাল ২৫১ শিক্ষকের, ফেরত দিতে হবে ১৫ কোটি টাকা বেতন

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রায় এক হাজার ১৫৬ জন শিক্ষক ভুয়া নিবন্ধন সনদ দিয়ে চাকরি করছেন বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফতরের (ডিআইএ) নিরীক্ষায়। এর মধ্যে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের জেলাগুলোতে এনটিআরসিএর ভুয়া সনদ দাখিল করা শিক্ষক রয়েছেন ৪৪৩ জন। ঢাকা ও ময়মনসিংহে ৩৬৬ জন, খুলনা ও বরিশালে ২৫১ জন এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের ৯৬ জন শিক্ষকের সনদ জাল। এসব ভুয়া সনদধারী শিক্ষকদের দেয়া বেতন-ভাতা ফেরত নেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

জাল সনদ দেখিয়ে চাকরি অথবা এমপিওভুক্ত হওয়া শিক্ষকদের কাছ থেকে মোট কতো টাকা ফেরত নেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে, তা জানা যায়নি। তবে জানা গেছে, খুলনা ও বরিশাল বিভাগে জাল সনদে শিক্ষক হয়ে বেতন নেয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে প্রায় ১৫ কোটি টাকা ফেরত নেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা ডিআইএর পরিচালক অধ্যাপক অলিউল্লাহ আজমতগীর বলেন, ডিআইএর পক্ষ থেকে প্রতিবেদন জমা দেয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এনটিআরসিএর বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন সনদ ছাড়া শিক্ষক হওয়ার সুযোগ নেই। ডিআইএর প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, যে এক হাজার ১৫৬ জন শিক্ষকের সনদ জাল বলে পাওয়া গেছে, তাদের মধ্যে ৭৯৩ জন এনটিআরসিএর শিক্ষক নিবন্ধনের ভুয়া সনদ দেখিয়েছেন। অন্যদের মধ্যে ২৯৬ জনের কম্পিউটার শিক্ষার সনদ এবং ৬৭ জনের বিএড, গ্রন্থাগার, সাচিবিক বিদ্যা ও অন্যান্য বিষয়ের সনদ জাল।

জালিয়াতি বন্ধের উপায় সম্বন্ধে মাউশির সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ গোলাম ফারুক বলেন, জাল সনদের মাধ্যমে এমপিওভুক্তি ঠেকানোর একটি কার্যকর উপায় হতে পারে অনলাইনেই সনদ যাচাইয়ের ব্যবস্থা করা। এটি শুরু হয়েছে।

স্বাআলো/এসএ