বিআরটিসির ঘোষণায় যশোরবসীর হতাশা কাটলো

যশোরবাসীর হতাশা কেটে গেলো। পদ্মা সেতু চালুর পরদিন ২৬ জুন থেকে থেকেই জেলাবাসী পদ্মা সেতু দিয়ে ঢাকায় যাওয়ার সুযোগ পাবেন। দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলের ২৩ রুটে চলবে বিআরটিসি বাস।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) জেনারেল ম্যানেজার মেজর মোক্তারুজ্জামান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। যে ২৩টি রুটে বাস চলবে তার মধ্যে যশোর রুটও আছে। রুটগুলোর মধ্যে রয়েছে, ঢাকা (গুলিস্তান) থেকে ভাঙ্গা, গোলাপগঞ্জ, খুলনা, যশোর হয়ে বেনাপোল, ঢাকা (গুলিস্তান) থেকে ভাঙ্গা, ভাটিয়াপাড়া, নড়াইল হয়ে যশোর এবং ঢাকা থেকে ভাঙ্গা, ভাটিয়াপাড়া, কালনাঘাট, লোহাগড়া, নড়াইল হয়ে যশোর।

বেসরাকারি বাস মালিকরা যশোর থেকে যখন পদ্মা সেতু হয়ে বাস চালাতে নিরুৎসাহ প্রকাশ করেন তখন বিআরটিসির এ ঘোষণা যশোরবাসীকে দারুণভাবে উৎসাহিত করেছে। যাত্রী সমস্যা, কালনা ব্রিজ সমস্যা ও রাস্তা সমস্যার কারণে পদ্মা সেতু রুটে যশোর থেকে বাস চলার বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।

এ অবস্থায় এ এলাকার ব্যাপক মানুষের দাবি ছিলো বেসরকারি বাস মালিকরা নিরুৎসাহিত হলেও সরকারি পরিবহনের দুই একটি বাস দেয়া প্রয়োজন। কারণ পদ্মা সেতু নিয়ে যশোরবাসীর উৎসাহ উদ্দীপনার কমতি ছিলো না এবং এখনো নেই। এ অবস্থায় পদ্মা সেতু পারাপারের সুযোগ না পেলে যশোরবাসীর হতাশ হবারই কথা। যশোরবাসীর সে অবস্থার অবসান ঘটলো।

দেশের নানা সমস্যা থাকতেই পারে। সে সমস্যা তো আর স্থায়ী কোনো বিষয় না। যশোর থেকে পদ্মা সেতু বিশেষ করে নড়াইল পর্যন্ত রাস্তাগুলো আঞ্চলিক চাহিদার ভিত্তিতে নির্মিত। ওই রাস্তা ঢাকা রুটের বাস চলাচলের অনুপযোগী হতে পারে। তাই বলে সে রাস্তা দিয়ে বাস চলতেই পারবে না তা ঠিক নয়।

বিআরটিসি যশোর এলাকার জন্য তিনটি রুট অনুমোদন করে যথোপযুক্ত কাজটি করেছে। জাতির স্বার্থে সংকটের ভেতর দিয়েও এগিয়ে যেতে হবে। সব কিছু গুছিয়ে তারপর কাজ শুরু করার বিষয়টি সব সময় সঠিক নয়। সমস্যার ভেতর দিয়ে কাজ চলবে। তার ভেতর দিয়ে সমস্যা সমাধানের চেষ্টাও চলবে।

স্বাআলো/এস

.