করোনার চতুর্থ ঢেউ: স্বাস্থ্যবিধি মানা জরুরি

করোনার চতুর্থ ঢেউ দেশে আবার শুরু হয়েছে। এই ঢেউ ঠেকাতে স্বাস্থ্য অধিদফতর দেশব্যাপী কয়েকটি নির্দেশনা দিয়েছে। নির্দেশনাসমূহ হচ্ছে: স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করতে সব গণমাধ্যমকে অনুরোধ করতে হবে। সবক্ষেত্রে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা,‘নো মাস্ক নো সার্ভিস’ নীতি প্রয়োগ করা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, জনসমাগম যথাসম্ভব বর্জন করতে হবে।

ধর্মীয় প্রার্থনার স্থানগুলোতে (যেমন মসজিদ, মন্দির, গির্জা ইত্যাদি) মাস্ক পরা ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। জ্বর, সর্দি, কাশি বা কোভিড-১৯ এর উপসর্গ দেখা দিলে কোভিড টেস্ট করারা জন্য উদ্বুদ্ধ করতে হবে। দোকান, শপিংমল, বাজার, ক্রেতা-বিক্রেতা, হোটেল-রেস্টুরেন্ট সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরিধান করতে হবে। অন্যথায় তাকে আইনানুগ শাডিস্তর সম্মুখীন হতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন এবং মাস্ক পরিধানের বিষয়ে সব মসজিদে জুমার নামাজের খুতবায় ইমামরা সংশ্লিষ্টদের সচেতন করবেন।

প্রচলিত কথায় আছে ‘সোজা আঙুলে ঘি ওঠে না’। জাতি হিসেবে আমাদের চরিত্রটাই যেনো তেমন। নিজের ভালো পাগলে বুঝলেও এ জাতি বুঝতে চায় না। দেশজুড়ে করোনা নতুন করে কাপন সৃষ্টি করেছে। এ অবস্থায় যখন কেউ প্রতিরোধে বিধি-নিষেধ মানতে স্বাস্থ্য অধিদফতর মাস্ক ব্যবহারসহ কিছু নিয়ম-কানুন পালনের নির্দেশনা দিয়েছে। আমরা এ নির্দেশনাকে স্বাগত জানাই।

করোনাভাইরাস যে মহামারী তাতে আর কোনো সন্দেহ নেই কারো। এর ভয়াবহতা নতুন করে ব্যাখ্যা করারও প্রয়োজন নেই। দীর্ঘ সময় ধরে সারা বিশ্ব চষে বেড়াচ্ছে এই ভাইরাস। হালে আগ্রাসন কিছুটা কম হলেও নতুন কওে আবার উঁকি দিচ্ছে। তাই বিশেষজ্ঞরা আগেভাগে সতর্ক করছেন।

আশার কথা হলো আমাদের দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যু হার কমেছে। তাই বলে অসতর্ক থাকা যাবে না। কেনোনা যখন একটি দুর্যোগ জাতির ঘাড়ে চাপে তখন সেটি দিনক্ষণ দিয়ে চাপে না। যদি প্রতিরোধে করণীয় বিষয়গুলো পালন করা যায় তাহলে দুর্যোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে।

যদি সবাই নির্দেশনা অনুসরণ করে তাহলে অটোমেটেকলি এটা থেকে রিলিফ পাওয়া যাবে। ওমিক্রন প্রতিরোধের করণীয় বিষয়ে সর্বপ্রথম গণসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে এবং তাদেরকে করণীয় বিষয়ের সাথে অংশ প্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

স্বাআলো/এস

.