মাগুরা থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে রেলপথে ঢাকায় যাবে মানুষ: রেলমন্ত্রী

মাগুরা থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে রেলপথে পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকায় যেতে পারবে এ অঞ্চলের মানুষ। এতে করে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোর যোগাযোগের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। সৃষ্টি হবে কর্মসংস্থান ও পণ্য পরিবহনে নতুন মাত্রা।

মঙ্গলবার (২ আগস্ট) মাগুরার রামনগর ঠাকুর বাড়ি এলাকায় রেল স্টেশন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে জনসভায় এ ধরনের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন রেলপথ মন্ত্রী মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম সুজন।

তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার দেশের প্রতিটি জেলাকে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনার যে মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, সে লক্ষে মাগুরা জেলাকে রেল সংযোগের আওতায় আনার মধ্য দিয়ে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চালের জনপথকে রেল সেবা প্রদান করা সম্ভব হবে। পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে ব্যবসা বাণিজ্য অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন মাগুরার সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান শিখর। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, মধুখালী হতে কামারখালী হয়ে মাগুরা শহর পর্যন্ত ২৪.৮ কিলোমিটার নতুন এ রেলপথ নির্মাণ করা হবে। এছাড়া মাগুরা ও কামারখালীতে ২টি নতুন স্টেশন ও ২টি প্লাটফর্ম, ২টি সেড নির্মাণ, একটি আন্ডারপাস, গড়াই ও চন্দনায় ২টি মেজর রেল সেতু, ২৮ মাইনর ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণ করা হবে। এর পাশাপাশি সিগন্যালিং ও ইলেকট্রিক্যাল কাজ করা হবে। ২০২৪ সালের ১৪ মে মাসে এই নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক পঙ্কজ কুন্ডু, বীর মুক্তিযোদ্ধা মুন্সী রেজাইল হক, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবু নাসির বাবলু, রেল মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তাসহ যুবলীগ, সেচ্ছাসেবকলীগ, কৃষক লীগ, ছাত্রলীগ এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

স্বাআলো/এসএস

.

Author
লিটন ঘোষ জয়, মাগুরা
জেলা প্রতিনিধি