প্রক্সিতে শাস্তি পাওয়া সেই ছাত্রই রাবিতে প্রথম

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার প্রকাশিত ফলে প্রথম হয়েছেন তানভির আহমেদ নামে এক ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী।

তবে রাবির ‘এ’ ইউনিটে এই রোলধারী ছাত্রের পরীক্ষায় প্রক্সি দিয়েছেন বায়োজিদ খান নামে এক পরীক্ষা। পরে প্রক্সিতে জড়িত থাকার অভিযোগে বায়োজিদ খানকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালতের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কৌশিক আহমেদ। দণ্ডের বিষয়টি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতেও জানিয়ে দেয়া হয়।

ভর্তি পরীক্ষার প্রকাশিত ফলে দেখা যায়, তানভীর আহমেদ, রাবির ‘এ’ ইউনিটে যার ভর্তি পরীক্ষার রোল ৩৯৫৩৪। তানভীর রাবির ভর্তি পরীক্ষায় সব গ্রুপ থেকে ২য় শিফটে অংশ নিয়েছেন এবং ৯২ দশমিক ৭৫ নম্বর পেয়ে ১ম স্থান পেয়েছেন।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে মাদরাসার জন্য ৮ নির্দেশনা

এদিকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে গত ২৬ জুলাই প্রকাশিত সংবাদে দেখা যায়, ভর্তি পরীক্ষায় রোল ৩৯৫৩৪-এর বিপরীতে রাবির ফোকলোর বিভাগের ২০১৪-১৫ সেশনের শিক্ষার্থী বায়োজিদ খান মূল পরীক্ষার্থী তানভির আহমেদের হয়ে প্রক্সি দিতে গিয়ে আটক হন। পরে তাকে এক বছরের দণ্ডে দণ্ডিত করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কৌশিক আহমেদ।

এছাড়া ভর্তি রাবির একই ইউনিটের প্রক্সি দেয়ার অভিযোগে আরেক ভর্তিচ্ছুর পরীক্ষা বাতিল করে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। যার রোল নম্বর ১৭২২৮।

এ নিয়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের মধ্যে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। অনেকেই এটাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের খামখেয়ালীপনা হিসেবেও উল্লেখ্য করছেন।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, এতো বড় একটি অপরাধ যা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকটে অতি নগণ্য মনে হলো। যে কারণে রাতের বেলাতেই তারা পরীক্ষার ফলাফল দিয়েছে। এছাড়া বিষয়টি যাতে নজর এড়িয়ে যায়, এজন্য রাত ১২টার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটেও প্রবেশ করা যাচ্ছিলো না। রাবি প্রশাসনের এমন এহেন কর্মকাণ্ড ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এক রকমের প্রতারণা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভর্তি পরীক্ষার আহবায়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান-উল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। আমি সংশ্লিষ্ট পরীক্ষা সমন্বয়ক ও ডীনদের ডেকেছি। আলোচনা চলছে। এবিষয়ে দ্রুতই একটি সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

স্বাআলো/এস

.

Author
রাজশাহী ব্যুরো