নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, উত্তাল দক্ষিণাঞ্চলের বেশিরভাগ নদী

বিষখালী, বলেশ্বর, কীর্তনখোলাসহ দক্ষিণাঞ্চলের বেশিরভাগ নদী উত্তাল রয়েছে। জোয়ারের পানিতে নদী তীরবর্তী এলাকাসহ নিম্নাঞ্চল তলিয়ে গেছে। ইতোমধ্যে ৬ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বুধবার (১০ আগস্ট) সকালে বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের জলানুসন্ধান বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী মাসুম জানান, বিভাগের মোট ২৩টি নদীর মধ্যে প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ ১০টি নদীর পানি প্রবাহ এখন পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এরমধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬ নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। ঝালকাঠি জেলার বিষখালী নদীর পানি ২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে, ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার মেঘনা নদীর পানি ৩৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে, তজুমদ্দিন উপজেলার মেঘনা ও সুরমা নদীর পানি ৫৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে, পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার বলেশ্বর-পায়রা নদীর পানি ৩১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে, পিরোজপুর জেলার উমেদপুরের কঁচা নদীর পানি ৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে, বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার বিষখালী নদীর পানি ৫৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, পূর্ণিমার আগমন ও বাতাসের গতি বৃদ্ধি পাওয়ায় পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। বাতাসের গতি বেশি থাকায় স্বাভাবিক নিয়মের থেকে নদীর পানি বেশি বেড়েছে। এটি বন্যা পরিস্থিতি নয়।

এদিকে প্রচুর বাতাসের সঙ্গে পানি বৃদ্ধির কারণে কীর্তনখোলা নদী বেশ উত্তাল রয়েছে। অতি জোয়ারের পানিতে কীর্তনখোলা তীরবর্তী চরবাড়িয়া, লামচড়ি, শায়েস্তাবাদের নিম্নাঞ্চলগুলো তলিয়ে গেছে। একইসঙ্গে বরিশাল নগরীর মধ্য দিয়ে বয়ে চলা খালগুলোর পানি যেমন নিচু এলাকার রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে। তেমনি খালের সঙ্গে সংযুক্ত ড্রেনের মাধ্যমে রাস্তাঘাটে পানি ওঠে পড়েছে।

বরিশাল সদর উপজেলার চরবাড়িয়া এলাকার বাসিন্দারা জানান, বুধবার সকাল থেকে কীর্তনখোলা নদী বেশ উত্তাল রয়েছে। বাতাসের গতিবেগও অনেক। অনেকটা ঝড়ো বাতাসের সঙ্গে নদীর পানি বাড়ছে। নদী তীরবর্তী অনেকের বাড়ি-ঘরে পানি ঢুকে গেছে।

স্বাআলো/এসএ

.