কৃষিতে যান্ত্রিকীকরণের ফলে অভাবনীয় পরিবর্তন হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, গত ১০ বছরে দেশে ৯০ ভাগ কৃষি যান্ত্রিকীকরণ হয়েছে। এরফলে কৃষি পণ্য রফতানি করে বছরে এক বিলিয়ন ডলারেরও বেশি উপার্জন হচ্ছে, ভবিষ্যতে তা আরো বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে প্রতি বছরে ২০-২২ লাখ মানুষ বাড়ে, প্রতিবছর কৃষি জমি কমে দুই লাখ একর। এরপরও আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ আছি, এবং কৃষি পণ্য রফতানিও করছি। এই অভাবনীয় পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে কৃষি যান্ত্রিকীকরণের ফলে।

তথ্যমন্ত্রী আজ বিকেলে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় ‘কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অনলাইনে সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, চট্টগ্রাম ও চাঁদপুর কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের আয়োজনে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) জামশেদুল আলম।

হাছান মাহমুদ বলেন, প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশ কৃষি উৎপাদনের ক্ষেত্রে যে সাফল্য বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেখাতে পেরেছে, এটি অভাবনীয় ও সারা পৃথিবীর জন্য একটি উদাহরণ। বাংলাদেশ আয়তনের দিক দিয়ে পৃথিবীর ৯২তম দেশ। কিন্তু বাংলাদেশ ধান ও মিঠাপানির মাছ উৎপাদনে পৃথিবীতে তৃতীয়, সবজি উৎপাদনে চতুর্থ ও আলু উৎপাদনে সপ্তম।

রাঙ্গুনিয়ায় অনেক কৃষিজমি পতিত থাকে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এসব পতিত কৃষিজমিতে শাকসবজি থেকে শুরু করে নানা ধরনের কৃষিপণ্য উৎপাদন করা সম্ভব। আমাদের এখান থেকে সারা দেশে কিংবা সারা চট্টগ্রামে কৃষিপণ্য যাবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এখন উল্টো হচ্ছে। তাই আগামী শীত মৌসুম সামনে রেখে একটি পরিকল্পনা নেয়ার আহবান জানাচ্ছি।

পৃথিবীতে খাদ্যসংকট চলছে উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, পৃথিবীতে এখন সংকট চলছে। পৃথিবীতে খাদ্যসংকটও তৈরি হয়েছে। কারণ, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ; করোনা মহামারি এখনো যায়নি। আবার কোনো মহামারি আসে, তা বলা যায় না। তাই প্রধানমন্ত্রী আহবান জানিয়েছেন, যেনো দেশের এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদি না থাকে।

স্বাআলো/এসএস

.

Author
ঢাকা অফিস