দুই মাসের মধ্যে ঝিনাইদহ পৌর নির্বাচন, আ.লীগের প্রার্থীর প্রার্থিতা বৈধ

ঝিনাইদহ পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আব্দুল খালেকের প্রার্থিতা বাতিল করে নির্বাচন কমিশনের দেয়া সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট।

ফলে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আব্দুল খালেকের আর কোনো বাধা রইলো না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

একই সঙ্গে, আগামী দুই মাসের (৬০ দিন) মধ্যে ঝিনাইদহ পৌরসভার নির্বাচন সম্পন্ন করতে বলেছেন আদালত। গত ১২ জুন এই নির্বাচন স্থগিত করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) হাইকোর্টের বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি আখতারুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় দেন। আব্দুল খালেকের করা রিট আবেদনে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে এই রায় দেন আদালত।

আদালতে এদিন রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতিরি সভাপতি ও সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোমতাজ উদ্দিন ফকির, অ্যাডভোকেট শাহ মঞ্জুরুল হক ও এমএস সাঈদ আহমেদ রাজা। তাদের সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার হারুনুর রশিদ খান।

ইসির পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট তৌহিদুল ইসলাম। অন্যদিকে আরেক প্রার্থীর পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফিদা এম কামাল, সাবেক অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা ও অ্যাডভোকেট এবিএম ইলিয়াস কচি। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ রাসেল চৌধুরী।

এর আগে গত ২ জুন আব্দুল খালেকের প্রার্থিতা বাতিলের প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন। এরপর তিনি হাইকোর্টে রিট করেন।

রিটের প্রাথমিক শুনানির পর আব্দুল খালেকের প্রার্থিতা বাতিল করে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত ৮ জুন স্থগিত করেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি রুল জারি করেন। এরপর ১২ জুন ঝিনাইদহ পৌর নির্বাচনের ভোটগ্রহণ স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ রাসেল চৌধুরী বলেন, ৬০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে বলেছেন হাইকোর্ট। আর নৌকার প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করেছেন।

স্বাআলো/এসএ

.

Author
ঢাকা অফিস