জয়ের আহবানে সাড়া দিয়ে তরুণ সমাজকে এগিয়ে যেতে হবে

যার মধ্যে দেশপ্রেম নেই তার দিয়ে মানুষের কল্যাণ সম্ভব নয়। যার মধ্যে আত্মবিশ্বাস নেই সে কিছুই করতে পারে না। দেশপ্রেম ও আত্মবিশ্বাস একজন মানুষকে পরিপূর্ণ মানুষে পরিণত করে। এই বাস্তব কথাটি প্রতিধ্বনিত হয়েছে সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) এর চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের কণ্ঠে।

তিনি বলেছেন, নিজেদের পরিশ্রম, মেধা দিয়ে নিজেদের সমস্যা নিজেরাই সমাধান করবো। নিজের মধ্যে যদি আত্মবিশ্বাস ও দেশপ্রেম থাকে, তাহলে নিজের দেশের মানুষের জন্য সবকিছু করা সম্ভব। নিজের মধ্যে দেশপ্রেম ও স্বাধীনতার চেতনা যদি না থাকে, তাহলে দেশের ভালো কিভাবে চাইতে পারি?

১২ নভেম্বর বিকালে সাভারের শেখ হাসিনা যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউটে ‘জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড ২০২২’ প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। জয় বলেন, আমার বিশ্বাস আপনারাই বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত করবেন। আর এটা আমাদের জীবদ্দশার মধ্যেই হবে। নিজেদের পরিশ্রম, মেধা দিয়ে নিজেদের সমস্যা নিজেরাই সমাধান করবো।

দেশপ্রেম এমন এক গুণ যা মানুষকে ত্যাগী হতে শেখায়। কবি বলেছেন,‘পরের কারণে স্বার্থ দিয়ে বলি এ জীবন মোর বিলিয়ে দাও’। এ কথা যিনি ধারণ করেন তিনিই মানবতার সেবক, তিনিই নিঃস্বার্থ মানব প্রেমিক। শুধু বুলি আওড়িয়ে মঞ্চ মাত করলে চলবে না, নিজের কথার বাস্তবতা দেখাতে হবে। মণিষীর উক্তি ‘তুমি যা বলো তা যদি তোমার জীবনে বাস্তবায়িত না করো তাহলে তুমি বড় মুর্খ’। জাতীয় জীবনে এমনটাই বেশি দেখা যায়। যার কারণে আজ অনাচার অবিচার সমাজে জেকে বসেছে। সজীব ওয়াজেদ জয় যে কথা বলেছেন তার প্রতি আমাদের দুষ্টি রেখে চলতে হবে। খ্যাতিমানরা যা বলেন তা কেবল শুনে আর আলোচনা করে কোন লাভ নেই। নিজেদের জীবনে তা বাস্তবায়ন করাটাই বড় কথা। দেশপ্রেমে যোগ্য পিতার যোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আর তার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ও দেশেপ্রেমের অনন্য দৃষ্টান্ত রেখে যাচ্ছেন। সেই সাথে দেশের মানুষকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবার আহবান জানাচ্ছেন। আমাদের সবাইকে বিশেষ করে তরুণ সমাজকে তার আহবানে সাড়া দিয়ে দেশের স্বার্থকে বড় করে দেখতে হবে। তাহলে আমরা সামনে এগিয়ে যেতে পারবো তরতর করে।

.

Author
সম্পাদকীয় ডেস্ক