প্রেম মানে না বয়স, ১৯ বছর বয়সী মেয়ের সাথে ৭০ বছরের বৃদ্ধের বিয়ে

ইউটিউবার সৈয়দ বাসিত আলী এক পাকিস্তান দম্পতির প্রেমের গল্প শেয়ার করে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বেশ নাম কুড়িয়েছেন। তিনি একটি ১৯ বছর বয়সী মেয়ে এবং ৭০ বছর বয়সী ব্যক্তির অনন্য প্রেমের গল্প শেয়ার করেছেন, যারা মর্নিং ওয়াকে বেড়িয়ে একে অপরের প্রেমে পড়েছিলেন।

লিয়াকত আলী জানান, লাহোরে প্রতিদিন সকালে হাঁটার সময় তার স্ত্রী শুমাইলার সঙ্গে তার দেখা হয়েছিলো। লিয়াকত শুমাইলার পিছনে জগিং করতে করতে গান শোনাতেন, সেই থেকেই এই প্রেমের সম্পর্কের শুরু।

শুমাইলা বলেছেন, কেউ বয়স দেখে প্রেমে পড়ে না।

তার বাবা-মায়ের তাদের বিয়েতে কোনো আপত্তি আছে কিনা জানতে চাইলে ১৯ বছর বয়সী তরুণী বলেন, আমার বাবা-মা প্রথমে আপত্তি করেছিলেন কিন্তু আমরা তাদের বোঝাতে সক্ষম হয়েছি।

তিনি যোগ করেছেন, যারা বেশি বয়সের ব্যবধানে বিয়ে করেন তাদের সম্পর্কে মানুষের মন্তব্য করা উচিত নয়। তাদের সিদ্ধান্তের জন্য তাদের সম্মান করা উচিত। এটা তাদের জীবন, তারা যেভাবে চায় সেভাবে বাঁচতে পারে।

লিয়াকত বলেন, ৭০ বছর বয়স হলেও তিনি মনের দিক থেকে খুবই তরুণ।

তিনি বলেন, রোমান্সের ক্ষেত্রে বয়স কোনো ফ্যাক্টর নয়। ৭০ বছর বয়সী এই বৃদ্ধ বলেছেন যে তিনি তার স্ত্রীর রান্নায় এতটাই খুশি যে তিনি রেস্তোরাঁর খাবার খাওয়া ছেড়ে দিয়েছেন। যখন সৈয়দ জানতে চান যে বয়সের বিশাল পার্থক্য আছে এমন লোকেদের বিয়ে করা উচিত কি না, লিয়াকত বলেন, বৃদ্ধ বা অল্পবয়সী নিয়ে কোন প্রশ্ন নেই। আইনত বৈধ যে কেউ বিয়ে করতে পারে। তার স্ত্রী বলেছিলেন যে, একটি বিবাহে অন্য কিছুর আগে ব্যক্তিগত মর্যাদা এবং সম্মানের বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। খারাপ সম্পর্কে জড়ানোর পরিবর্তে একজন ভালো ব্যক্তির সাথে বিয়ে করা উচিত। বয়সের পার্থক্য না দেখে ব্যক্তিগত মর্যাদা বা সম্মানকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে বিবেচনা করা উচিত। সূত্র: টাইমস নাও

স্বাআলো/এসএ

.

Author
আন্তর্জাতিক ডেস্ক