গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশে মন্ত্রণালয়ের অনুমতি চেয়েছে এনটিআরসিএ

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৭০ হাজারের বেশি শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমতি চেয়েছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পাওয়ার পর গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে এনটিআরসিএ।

জানা গেছে, গত সপ্তাহে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি) থেকে ৩২ হাজার শূন্য পদের তথ্য পেয়েছে এনটিআরসিএ। এর আগে মাদরাসা শিক্ষা অধিদফতর এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদফতর থেকে প্রায় ৪০ হাজার শূন্য পদের তথ্য পায় সংস্থাটি। সব মিলিয়ে প্রায় ৭২ হাজার শূন্য পদের তথ্য এনটিআরসিএ।

তিন অধিদফতর থেকে প্রাপ্ত শূন্য পদের মধ্যে কিছু পদ বাকি রেখে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়েছে। অনুমতি পেলে শিগগিরই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনটিআরসিএর এক কর্মকর্তা বলেন, শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশের পর শিক্ষকরা নানা হয়রানির শিকার হন। অনেকে এমপিওভুক্ত হতে পারেন না। আবার অনেকে যোগদানও করতে পারেন না। পরবর্তীতে অধিদফতর এর দায় নিতে চায় না। সেজন্য এবার তিন অধিদপফতরের মাধ্যমে শূন্য পদের তথ্য যাচাই করা হয়েছে। আমরা ৭২ হাজার শূন্য পদের তথ্য পেয়েছি। এখান থেকে কিছু পদ বাদ যেতে পারে।

কবে নাগাদ চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হতে পারে- এমন প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মকর্তা আরো বলেন, আমরা চেয়েছিলাম নভেম্বরের মধ্যে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে। তবে এটি সম্ভব হবে কিনা সেটি নির্ভর করছে মন্ত্রণালয়ের উপর। মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পাওয়ার পর গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে এনটিআরসিএ সচিব ওবায়দুর রহমান বলেন, আমরা তিন অধিদফতর থেকেই শূন্য পদের তথ্য পেয়েছি। প্রাপ্ত শূন্য পদের ভিত্তিতে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য অনুমতি চেয়ে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। অনুমতি পেলে দ্রুত সময়ের মধ্যে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

স্বাআলো/এস

.

Author
ঢাকা অফিস