প্রধানমন্ত্রীর আগমনে যশোরবাসী আনন্দিত

জননেত্রী মানবতার মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ যশোর আসছেন। দলীয় কর্মীরাতো বটেই সাধরণ মানুষও অধীর অপেক্ষায় প্রহর গুণছেন প্রিয় নেত্রীর আগমনের জন্য। ঐতিহাসিক যশোরে তিনি পাঁচ পর আসছেন। তাঁর পদধুলীতে ধন্য হবে যশোরের মাটি। এজন্য এ জনপদের মানুষ আনন্দিত ও গর্বিত।

স্বাগতম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনার নেত্রীত্বে পরিচালিত দেশের সর্ববৃহৎ গণতান্ত্রিক দল আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটি হলো এই যশোর। অতীতে এ জেলার সব কটি সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থীদের জয়যুক্ত করে তাঁর হাতকে শক্তিশালী করেছে এই যশোরবাসী। আসন্ন সংসদ নির্বাচনেও এর ব্যত্যয় ঘটবে না বলে দৃঢ়তার সাথে বলা যায়।

দেশের প্রথম শত্রুমুক্ত জেলার গৌরবে গৌরাবান্বিত যশোর। মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে যশোর বিরোচিত ভূমিকা পালন করে। যুগে যুগে কালে কালে এই যশোর সব দিকে থেকে প্রথম ছিলো। এই যশোর দেশের প্রথম জেলার স্বীকৃতিপ্রাপ্ত। এর আগে এই যশোরের রাজ্যের মর্যাদা ছিলো। তে-ভাগা আন্দোলন, নীল বিদ্রোহসহ গণমানুষের ন্যায্য অধিকার আদায়ে প্রতিটি সংগ্রামে বীরোচিত ভূমিকা আজো স্বর্ণাক্ষরে লিখিত রয়েছে। হাল আমলে এসে মৌলবাদ, জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে জেলবাসী একাট্টা। গুটি কয়েক বিপথগামী মানুষের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে জেলাবসীর বুক কাঁপেনি কখনো। দুর্বৃত্তরা যতই আষ্ফালন করুক না কেন সামনের সংসদ নির্বাচনে জেলাবাসী তার প্রমাণ দেবে।

যশোরবাসী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। কারণ পদ্মাসেতু এ জেলাকে উন্নয়নের গতিকে তরান্বিত করেছে। আশার হাতছানি দিচ্ছে যশোর-বেনাপোল-নড়াইল সড়ক ছয় লেনে উন্নীত হবার জন্য। আমরা আশা করি যশোরের প্রায় অর্ধ শতাব্দিকালের জলাবদ্ধতা প্রধানমন্ত্রীর হাত দিয়েই সমাধান হবে। প্রতিষ্ঠিত হবে যশোরে ৫০০ শয্যার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। যশোরকে পৃথক বিভাগ, যশোর পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করা, পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত, ফকির লালন শাহ, চিত্রশিল্পী এসএম সুলতান সংস্কৃতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং নড়াইল ও ঝিনাইদহে মেডিকেল কলেজ স্থাপন, বেনাপোল স্থলবন্দর আধুনিকায়ন এবং যশোরে বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা স্থাপন সবই হবে এ আশা যশোরবাসী করেন।

স্বাআলো/এসএস

.