যশোরের সব পথ যেনো মিলেছে স্টেডিয়ামে

যশোরের দড়াটানা মোড়ে একের পর এক মিছিলের সারি। নারী, পুরুষ, যুবা বয়সী সব মানুষের সারিবদ্ধভাবে পা ফেলা। কখনো কখনো মুখে স্লোগান- ‘আজকের জনসভা সফল হোক, সফল হোক’, ‘শেখ হাসিনা এগিয়ে চলো, আমরা আছি তোমার সাথে’ ইত্যাদি।

যশোরের দড়াটানা মোড়, দূরের পালবাড়ি মোড়, মণিহার মোড়, চাঁচড়া, আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল প্রভৃতি এলাকা থেকে শত শত মানুষের মিছিল আসছে।

চাঁচড়া হতে কোর্টমুখী রেল রোডটি মানুষে ঠাসা। মানুষ খুবই ধীরগতিতে এগোচ্ছে। স্টেডিয়াম মানুষে পূর্ণ হয়ে গেছে। নভেম্বরের শেষভাগে মিঠে-কড়া সকালের রোদটি তেতে উঠতেই মানুষের মধ্যে অস্বস্তি শুরু হয়।

সকালেই যশোরে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার মাঠ কানায় কানায় পরিপূর্ণ

তবে মানুষের প্রধানতম লক্ষ্য ওই স্টেডিয়াম, যেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভাষণ দেবেন। ৫০ বছর আগে ১৯৭২ সালের ২৬ ডিসেম্বর এই স্টেডিয়াম মাঠে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভাষণ দিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে যশোরে এসেছেন। তিনি সকালে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী একাডেমির প্রেসিডেন্ট প্যারেডে যোগ দেন। সেখানে পাসিং আউট কুচকাওয়াজে তিনি অভিবাদন গ্রহণ করেন।

সেখানে দুপুরের খাবার খাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী যশোর শামস-উল-হুদা স্টেডিয়ামে আয়োজিত জনসভায় যোগ দেবেন। দুপুর ২টার দিকে তিনি জেলা স্টেডিয়ামে হাজির হবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

আওয়ামী লীগ যশোর জেলা শাখার সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন জানান, জনসভাস্থল ইতোমধ্যে মানুষে পূর্ণ হয়ে গেছে। ১০ লাখ লোকের জমায়েত হবে, যা স্টেডিয়াম ছাপিয়ে সারা যশোর শহর ছড়িয়ে পড়বে। মঞ্চে স্থানীয় নেতারা কথা বলছেন, মাঝে মাঝে দেশের গান বাজছে। গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে এ উপলক্ষে চলেছে বিশাল কর্মযজ্ঞ। পুরো শহর সাজানো হয়েছে তোরণে, ব্যানারে, পোস্টারে। দূর-দূরান্ত হতে আসা মানুষগুলোর উল্লেখযোগ্য অংশ দুপুর হতে না হতেই রোদে-মিছিলে হেঁটে, ঘেমে-নেয়ে একসার হয়ে ক্লান্তিতে জড়াতে শুরু করেছেন। তবে তাদের আগ্রহের কমতি নেই, তারা আসছেন।

স্বাআলো/এস

.

Author
নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর