সকালেই যশোরে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার মাঠ কানায় কানায় পরিপূর্ণ

যশোরে আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভার মাঠ কানায় কানায় ভরে গেছে। বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে আনন্দ উল্লাসের সাথে সকাল ৭টা থেকে জনসভা স্থলে সাধারণ মানুষ আসা শুরু করে। বেলা ১১টার মধ্যে জনসভা স্থলটি জনসমুদ্রে পরিণত হয়। জনসভা স্থল পেরিয়ে আশাপাশের এলাকায় লোকে লোকারণ্য হয়ে উঠেছে। পুরো শহর উৎসবমুখর হয়েছে উঠেছে।

স্লোগানে স্লোগানে ঢাক-ঢোল বাজিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানানোর অপেক্ষায় সময় গুনছে লাখ লাখ জনতা।

যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ জানান, সকাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের নেতৃত্বে লোকজন আসা শুরু করে। বেলা ১১টার দিকে জনসভা মাঠ পরিপূর্ণ হয়েছে। প্রায় ছয় লাখ মানুষ জনসভা স্থলে প্রবেশ করেছেন। আশা করা যাচ্ছে ১০ থেকে ১২ লাখ মানুষের সমাগম ঘটবে।

যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম মিলন জানান, শেখ হাসিনার জনসভা জনসমুদ্রে পরিণত করার জন্য বেশ কয়েকদিন ধরে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। সেই পরিশ্রমের সার্থকতা প্রমাণ হওয়ার পথে। ইতোমধ্যে জনসভা মাঠ ভরে গেছে। পাঁচ লাখের উপরে মানুষ মাঠে প্রবেশ করেছেন। আশা করছি ১০ লাখের উপরে লোক আসবেন।

যশোর জেলা যুবলীগ নেতা, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বিপুল জনান, শেখ হাসিনার জনসভায় খুলনা বিভাগের ১০ জেলা থেকেই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নেতৃত্বে মানুষ আসবেন। বেলা ১১টার মধ্যে যশোরের লোকরাই মাঠ পরিপূর্ণ করে ফেলেছেন। যশোরসহ বাইরের জেলা থেকে ব্যাপক লোকসমাগম ঘটবে। আশা করা যাচ্ছে ১২ লাখের কাছাকাছি লোকসমাগম ঘটবে।

খুলনা বিভাগের সাধারণ মানুষ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ যশোর স্টেডিয়ামের জনসভা থেকে সেটাই প্রমাণিত হবে।

স্বাআলো/এস

.

Author
রুহুল আমিন, যশোর: