সমাবেশ থেকে বিএনপি নেত্রী রুমিন ফারহানাসহ শতাধিক জনের মোবাইল চুরি

কুমিল্লায় বিভাগীয় গণসমাবেশস্থল থেকে বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানার মোবাইল ফোন চুরি হয়েছে।

শনিবার (২৬ নভেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে রুমিন ফারহানা নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, শুক্রবার রাতে টাউনহল মাঠে জনস্রোত দেখতে আসি। এরপরই আমার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি চুরি হয়ে যায়।

এদিকে সমাবেশ আসা একাধিক নেতাকর্মী জানান, শুক্রবার রাত থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত প্রায় শতাধিক নেতাকর্মীর ফোন চুরি হয়েছে।

চান্দিনা থেকে আসা বিএনপির কর্মী সালেক মিয়া বলেন, আমি টাউনহলে এসে স্লোগান দিচ্ছিলাম। ছবি তোলার জন্য পকেটে হাত দেই। দেখি আমার মোবাইলটা নেই।

সালেক দুঃখ করে বলেন, আমার ছোট ভাই দুবাই থেকে পাঠিয়েছিল ফোনটি। মনটা খারাপ হয়ে গেলো।

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মালাপড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মামুনের মোবাইল চুরি হয়ে গেছে।

বিএনপির কর্মী আবুল কালাম বলেন, আমার মোবাইলটা খুব দামী না। আমি যখন হাততালি দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলাম তখনই কে যেন পকেটে হাত দিল। এক সেকেন্ডের মধ্যেই পকেটে হাত দিয়া দেখি মোবাইলডা গায়েব।

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলা থেকে আসা আশিক বলেন, আমি মঞ্চের সামনেই ছিলাম। হঠাৎ করে দেখি আমার মোবাইলটা নাই। আমার এক হাতে পতাকা আরেক হাতে ফেস্টুন ছিল। এ সুযোগে চোরের দল আমার মোবাইলটা নিয়ে যায়। দলীয় সংগীত গাইতেছিলাম, গেয়ে যখন পকেটে হাত দেই দেখি মোডাইলডা নাই। খুব খারাপ লাগতাছে। আমি লাকসাম থেকে আসছিলাম বিষুদবার (বৃহস্পতিবার) রাইতে। নেতারার লগে বহুত ছবি আছিলো। মোবাইলডা গেছে কষ্ট নাই। কষ্ট কইরা ছবিডি তুলছিলাম এগুলো কই পাই?

এরকম শতাধিক মোবাইল খোয়া গেছে সমাবেশ শুরুর আগেই।

জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক শাহ আলম বলেন, গতকাল রাত থেকেই মোবাইল চুরির ঘটনা শুরু হয়। আজ সমাবেশ শুরুর আগেই এমন অবস্থা।

এর আগে সমাবেশের আগের রাতে বিএনপির কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার মোবাইল ফোনসেট চুরি হয়ে গেছে।

শুক্রবার রাত ৯টায় কুমিল্লা বিভাগীয় সমাবেশস্থল টাউন হল মাঠে যাওয়ার পর কোনো একসময় তার ব্যাগ থেকে মোবাইল ফোনটি চুরি যায়।

বিষয়টি নিয়ে কুমিল্লা কোতয়ালী থানার ওসি সনজুর মোর্শেদ শাহিন বলেন, এ বিষয়ে কেউ অভিযোগ করে নাই।

এদিকে বেলা ১১টায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, পবিত্র গীতা ও ত্রিপিটক থেকে পাঠ করে বিএনপির সমাবেশ শুরু হয়।

স্বাআলো/এসএ

.

Author
চট্টগ্রাম ব্যুরো