বেকার যুবক ও নারীদের মূল্যায়ন বাড়ছে

রংপুর সিটি কর্পোরেশন (রসিক) নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিল গত মঙ্গলবার শেষ হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে আগামী ৯ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ করবে নির্বাচন কমিশন। এখনো প্রচার-প্রচারণা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু না হলেও নির্বাচনী মাঠ ধীরে ধীরে জমে উঠছে। সম্ভাব্য প্রার্থী নিজ নিজ কৌশল অবলম্বন করছেন। শুরুতে হাতেগোনা কর্মী নিয়ে প্রচারণা চালিয়ে আসলেও সম্ভাব্য প্রার্থীরা এখন কর্মী বাড়ানোর চেষ্টা করছেন সাধ্যমতো। এসব কর্মীর ক্ষেত্রে বেকার যুবক ও নারীদের মূল্যায়ন করছে প্রার্থীরা। এছাড়াও কিছু প্রার্থী নিজেদের পক্ষে ভোট নিতে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া মেয়েদের প্রচারণায় ব্যবহার করছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রংপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের তফসীল ও তার পরবর্তী সময়ে সম্ভাব্যপ্রার্থীরা প্রথমে হাতেগোনা কর্মী নিয়ে প্রচারণা চালিয়ে আসলেও প্রার্থীরা এখন সাধ্যমতো কর্মী নিয়োগের চেষ্টা করছেন। শুরুতে নিজ নিজ প্রার্থীর পক্ষে আত্মীয়-স্বজনরা প্রচারণা চালিয়ে চালালেও এখন পুরোদমে মাঠ গরম রাখতে কর্মী বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এখন মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের কাছে কর্মী বাড়ানোই অন্যতম লক্ষ্য হয়ে দাড়িয়েছে। তারা নিজ নিজ দলীয় নেতাকর্মীসহ আত্বীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবের পাশাপাশি বেকার যুবক ও নারীদের কর্মী বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। কাউন্সিলরদের ক্ষেত্রে বেকার ও নারীদের মূল্যায়ন অর্থের বিবেচনায় করা হচ্ছে। প্রার্থীর কাছের লোকজন বিভিন্ন পাড়া মহল্লা থেকে বেকার যুবক ও নারীদের তালিকা করে দরদাম নিশ্চিত করছেন। রাজি হলে তাদের কর্মী হিসেবে নিয়োগ দিচ্ছে। এরা সম্ভাব্য প্রার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ বা ব্যস্ততম এলাকা, হাট বাজার, চায়ের দোকান, পাড়া মহল্লার মোড়ে মোড়ে প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন।

নগরীর ১২ নং ওয়াডের সাইফুল ইসলাম ও ১৭ নং ওয়ার্ডের একরামুল হক, রিপনসহ বেশ কয়েকজন বলেন, নির্বাচনে পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে মাঠে নেমেছি। প্রচার-প্রচারণাও চালাচ্ছি।

নগরীর চকবাজার এলাকার হাদিউজ্জামান ও পরশ নামের দুই ব্যক্তি জানান, বাড়িতে বেকার বসে ছিলাম। এখন এক প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা করছি। বেশ ভালোই লাগছে। সাথে কিছু পাচ্ছিও। তাদের মতো আরোও অনেক যুবক-যুবতী রয়েছেন।

স্বাআলো/এসএ

.

Author
হারুন উর রশিদ সোহেল, রংপুর
ব্যুরো প্রধান