রবিবার চট্টগ্রামে আ.লীগের জনসভা, সমাবেত হবেন ১০ লক্ষাধিক মানুষ

চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের রবিবারের (৪ ডিসেম্বর) জনসভায় ১০ লক্ষাধিক মানুষ সমবেত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক।

জনসভাস্থল নগরের পলোগ্রাউন্ড ময়দানের প্রবেশপথে শনিবার (৩ ডিসেম্বর) বেলা আড়াইটার দিকে সাংবাদিকদের কাছে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

নানক বলেন, জনসভায় ১০ লক্ষাধিক মানুষ সমবেত হবে। তাই আগামীকালের জনসভাকে সামনে রেখে আমরা সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করছি। পলোগ্রাউন্ড ময়দান ছাপিয়ে এই জনসভা জনসমুদ্রে পরিণত হবে। কাজেই আমরা সকলের সহযোগিতা চাই।

তিনি বলেন, আগামীকাল রবিবার ঐতিহাসিক চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড ময়দানে স্মরণকালের বৃহত্তম জনসভা। করোনা-উত্তর এই জনসভা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চট্টগ্রামের মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় রয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এই পলোগ্রাউন্ড ময়দানে চট্টগ্রামবাসীর উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেবেন। এই জনসভা স্মরণকালের ঐতিহাসিক জনসভা হবে।

জনসভা উপলক্ষে পুরো চট্টগ্রাম শহর জনসমুদ্রে পরিণত হবে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, এই জনসভাকে ঘিরে চট্টগ্রাম উত্তর-দক্ষিণ ও মহানগরের সবখানে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে একটা আবেগ-উচ্ছ্বাস তৈরি হয়েছে। জননেত্রী শেখ হাসিনা দীর্ঘ ১০ বছর পর চট্টগ্রামের এই জনসভায় বক্তব্য রাখবেন। সেটা দেখার জন্য, জানার জন্য, উনি যে দেশবাসীর জন্য দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন, সেটার জন্য চট্টগ্রামবাসী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। আমাদের বিশ্বাস, আগামীকালকের জনসভা শুধু এই পলোগ্রাউন্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; গোটা চট্টগ্রাম শহরেই সকল মানুষের উপস্থিততে এটা একটা জনসমুদ্রে রূপ নেবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে হানিফ বলেন, সকাল আটটা থেকে সভাস্থলের দরজা খোলা থাকবে। আমাদের নেতা-কর্মীদেরও সকাল আটটা থেকে মাঠে প্রবেশের জন্য সকল প্রস্তুতি আছে। আমরা আশা করি দুপুর আড়াইটার মধ্যেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সভাস্থলে আসবেন এবং তিনটার মধ্যেই উনি উনার বক্তব্য শুরু করবেন।

বিএনপির সমাবেশের বিষয়ে তিনি বলেন, বিএনপি জনসভা করার অনুমতি চেয়েছে। সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অনুমতি দিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের যেখানে অনুমতি দিয়েছে, সেখানেই জনসভা করতে হবে, সেটাই করা উচিত। দেশের সরকার মানবে না, সংবিধান মানবে না বা সরকারের আইন মানবে না, এ রকম কোনো অধিকার সরকার কাউকে দেয়নি, রাষ্ট্র দেয়নি। রাষ্ট্রের যেকোনো আইন সকলকে অনুসরণ করতে হবে।

আওয়ামী লীগ নিয়ম মেনেই সমাবেশ করে জানিয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ এই দেশের গণমানুষের দল। আওয়ামী লীগ নিয়মতান্ত্রিকভাবে তাদের সমাবেশ করছে। সরকার আছে, আইন আছে। নিয়ম অনুযায়ীই আওয়ামী লীগ সকল কর্মসূচি পালন করে আসছে।

স্বাআলো/এসএ

.

Author
ঢাকা অফিস