বাগেরহাটে ৩ বাড়িতে আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে ডাকাতি, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার বিশিষ্ট ঠিকাদার আজাদ হোসেন বালী ও তার ভাই আলম বালী এবং মোংলা উপজেলার শ্যামল রায়ের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘঠিত হয়েছে। আগ্নেয়াস্ত্রের মুখে বাড়ির সকলকে বেঁধে ও জিম্মি করে নগদ টাকা এবং স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছে ডাকাত দল।

সোমবার রাতে এ ঘটনার পর মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) সকালে পুলিশ ডাকাতি হওয়া বাড়ি পরিদর্শন করেছে।

পুলিশ ও ক্ষতিগ্রস্থরা জানান, সোমবার দিনগত রাত ২টার দিকে কচুয়া উপজেলার হাজরাখালী গ্রামের বিশিষ্ট ঠিকাদার গোলাম শোকরানা রব্বানী আজাদ হোসেন বালী ও তার ভাই সুলতান রব্বানী আলম বালীর বাড়িতে গ্রীল কেটে ১২/১৪ জন ডাকাত প্রবেশ করে। শীতের জন্য ব্যবহ্নত টুপিতে মুখ বাধা ডাকাত দল আগ্নেয়াস্ত্রের মুখে বাড়ির সকলকে বেঁধে ফেলে। পরে ঠিকাদার আজাদ বালীর ঘর থেকে ৩০ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৬০ হাজার টাকা এবং তার ভাই আলম বালীর ঘর থেকে নগদ ১১ লাখ টাকা ও ১২ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।

আলম বালী বলেন, ডাকাতরা দুটি রিভলবার ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে বাড়ীতে প্রবেশ করে ঘরের গ্রীল কেটে ফেলে। পরে আমরা জেগে গেলে অস্ত্র ঠেকিয়ে আমাদের সকলকে বেধে ফেলে এবং ডাকাতি করে নিয়ে যায়।

কচুয়ায় ঠিকাদারের বাড়িতে ডাকাতি হওয়ার খবর পেয়ে বাগেরহাট সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহামুদ হাসান ও কচুয়া থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ওই বাড়ী পরিদর্শন করেছেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহামুদ হাসান বলেন, ক্ষতিগ্রস্থ দুই বাড়ি পরিদর্শন করে ডাকাতির ঘটনার বর্ননা শুনেছি এবং ডাকাতদের শনাক্ত করতে পুলিশি কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

অপরদিকে, সোমবার সন্ধ্যার পরপরই মোংলা উপজেলার শেলাবুনিয়া রিগ্যান পাড়ার মোংলা গ্লাস হাউসের মালিক শ্যামল রায়ের ভাড়া বাসায় ডাকাতি হয়।

এ সময় শ্যামল রায়ের স্ত্রী একাকী বাসায় ছিলেন। মুখোশ পরিহিত ৩/৪জন ডাকাত বাড়ির মালিক অসুস্থ বলে জানিয়ে বাসার দরজা খুলতে বলে।

এ সময় শ্যামল রায়ের স্ত্রী দরজা খুলে দিলে ডাকাতরা তার চোখ মুখ ও হাত বেঁধে ফেলে। পরে ঘরে থাকা এক ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৬০ হাজার টাকাসহ অন্যান্য মালামাল নিয়ে চলে যায় বলে শ্যামল রায় জানান।

এ ঘটনায় মোংলা থানায় অভিযোগ দেয়া হয়েছে।

স্বাআলো/এস

.

Author
আজাদুল হক, বাগেরহাট
জেলা প্রতিনিধি