উঠে আসছে পরিচালন ব্যয়, বুধবার চালু হচ্ছে আরো ২টি স্টেশন

২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রী পরিবহন শুরু করে মেট্রোরেল। শুরুতে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত দুই স্টেশনে সরাসরি মেট্রো চললেও এখন আরো তিন স্টেশনে যাত্রা বিরতি করছে। এবার বুধবার (১৫ মার্চ) সেখানে যোগ হচ্ছে আরো ২ স্টেশন।

মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইতোমধ্যে যে পরিমাণ যাত্রী পরিবহন করা হয়েছে, তাতে মেট্রো ব্রেক ইভেন্টে (পরিচালন ব্যয়) চলে আসছে। এই পথে নয়টি স্টেশন চালু হলে যাত্রী সংখ্যা বাড়বে। তখন আর ভর্তুকির দরকার হবে না।

বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন ছিদ্দিক।

তিনি বলেন, আসছে জুলাই থেকে মেট্রোরেল পুরোপুরি চালু হবে। অর্থাৎ সকাল থেকে রাত পর্যন্ত টানা চলবে।

তিনি আরো বলেন, চালুর পর থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৭ লাখ ৯০ হাজার যাত্রী মেট্রোরেলে চলাচল করছে। এতে মেট্রোরেলের আয় হয়েছে ৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকা, যা দিয়ে মেট্রোরেলের পরিচালন ব্যয় মেটানো সম্ভব।

এম এ এন ছিদ্দিক জানান, জুলাইয়ে দ্বিতীয় ধাপে আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত পরীক্ষামূলক রেল চলাচল শুরু হবে।

গত বছরের ডিসেম্বরে এমআরটি লাইন-৬ এর আওতায় ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার চালু হওয়ার পর থেকে মেট্রোর পরিধি বাড়ছে। প্রথমে উত্তরা থেকে আগারগাঁও চলাচল করলেও পরে চালু করা হয় পল্লবী স্টেশন। এরপর এর সঙ্গে যোগ হয় উত্তরা সেন্টার ও মিরপুর-১০ স্টেশন। সকাল সাড়ে ৮টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত এই পাঁচটি স্টেশনে নিয়মিত চলছে মেট্রোরেল। মিরপুর-১১ ও কাজিপাড়া স্টেশন আগামী ১৫ মার্চ চালুর কথা রয়েছে।

স্বাআলো/এসএ