শিরোনাম :
রোহিঙ্গারা স্বাস্থ্যসেবায় ৫০ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে চার সংস্থা প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি অস্থায়ী কর্মপরিষদের দুর্নাম ঘোচাতে বাকসু নির্বাচন দাবি কাল জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বৈঠক বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন শ্রদ্ধা সঙ্গে রোহান দীর্ঘ দিনের প্রেমিকাকে বিয়ে করছেন মিরাজ ৮ম স্কেলে বেতনসহ ১০ দফা দাবি প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রথম দিন থেকেই আইপিএলে থাকছেন সাকিব মাগুরায় আন্তর্জাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবস পালিত দাবি আদায়ে খুলনার শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ বিএনপি সব ঘটনায় উস্কানি দেয়ার চেষ্টা করে: হানিফ খুলনার রূপসায় ট্রলি চাপায় শিশু নিহত এইচএসসি পরীক্ষার্থী হৃদয় নিহত স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা এবার তিন সেনা সদস্য খুন সহকর্মীর হাতে নিউজিল্যান্ডে সব ধরনের আধা-স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র নিষিদ্ধের ঘোষণা ঠোঁটের কালচে দাগ দূর করার উপায় কুমিল্লায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ১১ মামলার আসামি নিহত আজকের খেলা আগামীকাল মোস্তাফিজের বিয়ে সুপ্রভাত-জাবালে নূর বাস চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আজ পদ্মা সেতুর নবম স্প্যান বসছে ২১ মার্চ দিনটি কেমন যাবে নির্বাচনী প্রচারণা শেষে প্রার্থী ফেরার পর শংকরপুরে বোমাবাজি চাকসু নির্বাচনে বৃহস্পতিবার কমিটি গঠন

প্রেমপত্র : পাগলী কেমন আছিস?

প্রিয় পাগলী,

কেমন আছিস? বিরক্ত হচ্ছিস নাতো? মনের কোনে যদি আমার খবর জানার তিল পরিমান ইচ্ছা থাকে তবে শোন ‘আমি ভাল নেই’। আমার সকালটা এখনো শুরু হয় রাতে তোকে নিয়ে দেখা স্বপ্ন ভেবে।

মনে আছে, কত পাগলামি ছিল-সেই ভালোবাসায়? কত গভীর ছিল সেই পাগলামি? কতটা মিশে ছিলাম নিজেদের মাঝে। তুই হয়তো অতসব ভেবেই আজ কান্নায় ভেঙ্গে পড়িস। নাকি পড়িস না জানি না।

আমাদের ছিল না কোন বাঁধা। অবিরাম ঘাসফড়িঙের মত উড়ে বেরিয়েছি সারা শহর। আজও তোর ঠোঁটের স্পর্শ লেগে আছে গালে। হাতে লেগে আছে তোর উষ্ণতা। এই অনুভূতি আমি আজো বয়ে বেরাচ্ছি।আমি ফেলতেও পারি না। আবার আগলে রাখার কষ্ট সহ্য হয় না। মাঝে মাঝে মনে হয়…। তবে এখনো আমি বেঁচে আছি।

প্রতিদিন তুই স্বপ্নে এসে আমার সব কিছু উলটপালট করে দিয়ে যাস। প্রতিদিন তোর এই অবাধ বিচরণ আমায় তিলে তিলে ভালোবাসার আরো গভীরে নিয়ে যাচ্ছে। এই ভালোবাসা থেকে আমার মুক্তি নেই। তবে এই ভেবে শান্তনা খুঁজি, আছি তো তোর সাথে।

আমার খুন জানতে ইচ্ছে করে, তুইও কি আমার মত স্বপ্নে করিস ভালোবাসা ? তুইও কি আমার মত প্রতিরাতে আমার চোখে চেয়ে থাকিস ? আমায় ভেবে করিস দিন পার?

ভালোবাসা যে মানুষকে অসহায় করে তুলতে পারে সেটা বোঝার ক্ষমতা আমার হয়েছে। তবু ভালবেসেছি। মানুষ ভালোবাসার জন্যই জন্মগ্রহণ করে আর সারা জীবন এই ভালোবাসাকেই খুঁজে ফেরে। আমি খুঁজে পেয়েছিলাম তোকে। আবার হারিয়ে ফেলেছি তোকে।
মনে আছে পাগলী, তুই আমায় জিজ্ঞেস করতি ‘আচ্ছা আমায় হারাবার ভয় কেন তোর? আমি তো তোকে হারাতে দেবো না। সারা জীবন তোর থাকবো।’

তবুও তোকে হারানোর ভয় আমায় গ্রাস করতো প্রতিমুহূর্ত। আজো মনে হয় আমায় কি তুই আগলে রাখতে পারলি? পাগলের মত ছুটে চলেছিলাম দুজন।

তোকে না পাওয়ার বিনিময়ে পেয়েছি একরাশ কষ্ট। ভেজা গোলাপে আগে যেখানে ডায়রির পাতা ভিজতো, এখন সেখানে ধুলো জমে আছে। সেই চিঠিতে নেই তোর ঘ্রাণ,আছে কেবল নোনা জলের ছাপ।

প্রিয় কিছু হারানো আর প্রিয় মানুষকে পাশে রেখেও হারানোও মধ্যে মনে হয় যোজন যোজন তফাত। প্রিয় জিনিস হারিয়ে আমার নোনা জল গড়িয়ে পরে না। কিন্তু তোকে হারিয়ে আজ আমার নোনা জল চোখেই শুকিয়ে যায়।

এই উন্মুক্ত লিখা শেষ হবে না যেমন আমাদের কথা শেষ হত না। মনে আছে পাগলী আমরা যতক্ষণ কথা বলতাম তার থেকে নিরবাতায় কথা বলতাম বেশি!ভালোবেসে আমি শিখেছি নীরবেও কিভাবে কথা বলা যায়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা নীরব দর্শন কিংবা নীরব কথা বলে যেতাম অবিরাম। তোর ভালোবাসা আমায় শিখিয়েছে চোখের মাঝের কথাটা পড়ে নেবার। শিখিয়েছে হাতের স্পর্শে মনের কথা বুঝে নেবার।

শেষ হচ্ছে না।বিরক্ত হচ্ছিস? তবে আজ থাক। এমন একপেশে কথা বলার মাঝে একটা যাদু আছে ‘তুই অবিরাম হাসতে থাকিস আমি যতক্ষণ এই লিখা লিখছিলাম ঠিক ততক্ষণ।’

তোকে ছাড়া আমার যে জীবন চলছে না তা না। দিন হচ্ছে, রাত যাচ্ছে। কিন্তু এই জীবনকে ঠিক ‘জীবন’ বলা চলে না। আবার মনে হয় এই কষ্টের জন্যই হয়তো আমার বেঁচে থাকা। আমিও বেঁচে থাকি আমার কষ্টও বেঁচে থাকুক সাথে স্বপ্নে তুইও বেঁচে থাক।

শেষ কবিতা লিখেছিলাম কবে মনে নেই, তবে এই কবিতা আমাদের নীরব কথার মাঝে সৃষ্ট হয়েছিল মনে আছে। শুধু তোর জন্য-

থমথমে জীবনের বাঁকে,
কিছু স্মৃতি জমা থাকে,

কিছু কথা অবিরাম ডেকে চলে নিভৃতে ।
হয়তো নিখোঁজ মনের টানে,
ভালোবাসার আহবানে,
আজো আমি খোঁজে ফিরি তার পরিপূর্ন ভালোবাসাকে ।

আজ বিদায় নিলাম
তোর অভিমান

প্রিয় পাঠক, আপনিও আপনার প্রেমপত্র পাঠাতে পারেন আমাদের কাছে। আমরা ভালবাসাকে শ্রদ্ধা করে পৌঁছে দেবো অন্যপ্রান্তে। হয়তো তা খুঁজে নিতে পারে প্রকৃত মালিককেও। পত্র পাঠানোর ঠিকানা: [email protected] অথবা  স্বাধীন আলো, নদী বাংলা কাশেম টাওয়ার (৪র্থ তলা) ১৫ নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বোস সড়ক, গাড়িখানা, যশোর।