শিরোনাম :
রোহিঙ্গারা স্বাস্থ্যসেবায় ৫০ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে চার সংস্থা প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি অস্থায়ী কর্মপরিষদের দুর্নাম ঘোচাতে বাকসু নির্বাচন দাবি কাল জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বৈঠক বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন শ্রদ্ধা সঙ্গে রোহান দীর্ঘ দিনের প্রেমিকাকে বিয়ে করছেন মিরাজ ৮ম স্কেলে বেতনসহ ১০ দফা দাবি প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রথম দিন থেকেই আইপিএলে থাকছেন সাকিব মাগুরায় আন্তর্জাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবস পালিত দাবি আদায়ে খুলনার শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ বিএনপি সব ঘটনায় উস্কানি দেয়ার চেষ্টা করে: হানিফ খুলনার রূপসায় ট্রলি চাপায় শিশু নিহত এইচএসসি পরীক্ষার্থী হৃদয় নিহত স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা এবার তিন সেনা সদস্য খুন সহকর্মীর হাতে নিউজিল্যান্ডে সব ধরনের আধা-স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র নিষিদ্ধের ঘোষণা ঠোঁটের কালচে দাগ দূর করার উপায় কুমিল্লায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ১১ মামলার আসামি নিহত আজকের খেলা আগামীকাল মোস্তাফিজের বিয়ে সুপ্রভাত-জাবালে নূর বাস চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আজ পদ্মা সেতুর নবম স্প্যান বসছে ২১ মার্চ দিনটি কেমন যাবে নির্বাচনী প্রচারণা শেষে প্রার্থী ফেরার পর শংকরপুরে বোমাবাজি চাকসু নির্বাচনে বৃহস্পতিবার কমিটি গঠন

এবার রাজনীতিতে পা রেখেছে মিমি-নুসরাত

ডেস্ক রিপোর্ট : ভারতের ১৭তম লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের পক্ষ থেকে ৪২টি আসনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করলেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। এবার তিনি রাজনীতিতে নিয়ে আসছেন টালিগঞ্জের জনপ্রিয় নায়িকা মিমি চক্রবর্তী ও নুসরাত জাহানসহ কয়েকজন অভিনেত্রীকে।

মঙ্গলবার (১২ মার্চ) তৃণমূল চমক দিয়ে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। এর আগে কালীঘাটে মমতার বাসভবনে তৃণমূলের নির্বাচনী কমিটির বৈঠক হয়। সেখানে হাজির ছিলেন নির্বাচনী কমিটির ১২ জন সদস্য এবং দলের বিভিন্ন জেলার সভাপতিরা।

শুরুতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, আগামী নির্বাচনে সুগত বসু, সন্ধ্যা রায়, উমা সোরেন, ইদ্রিশ আলী, সুব্রত বক্সি অংশ নিচ্ছেন না। এবার ৪১ শতাংশ প্রার্থী নারী। এবারের প্রার্থী তালিকায় রয়েছে বেশ কিছু নতুন মুখ। নারী, সংখ্যালঘু, অভিনেতা ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করে হয়েছে। তবে তালিকায় রাজনীতিকদের গুরুত্ব দেয়া হয়েছে বেশি।

২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা রয়েছেন, অমর সিং রাই (দার্জিলিং), বিজয় চন্দ্র বর্মণ (জলপাইগুড়ি), পরেশচন্দ্র অধিকারী (কোচবিহার), দশরথ তিরকে (আলিপুরদুয়ার), কানাইলাল আগরওয়াল (রায়গঞ্জ), অর্পিতা ঘোষ (বালুরঘাট), কংগ্রেস থেকে এবারই তৃণমূললে যোগ দেয়া মৌসম বেনজীর নূর  (মালদহ উত্তর), মোয়াজ্জেম হোসেন (মালদহ দক্ষিণ),  খলিলুর রহমান (জঙ্গিপুর), আবু তাহের খান  (মুর্শিদাবাদ), অপূর্ব সরকার (বহরমপুর), মহুয়া মৈত্র (কৃষ্ণনগর), রূপালী বিশ্বাস (রানাঘাট),  সুনীল মণ্ডল (বর্ধমান পূর্ব), মমতাজ সংঘমিত্রা (বর্ধমান দুর্গাপুর), মুনমুন সেন (আসানসোল),  অসিত মাল (বোলপুর), শতাব্দী রায় (বীরভূম), মমতাবালা ঠাকুর (বনগাঁ), দীনেশ ত্রিবেদী (ব্যারাকপুর), প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় (হাওড়া), সাজদা আহমেদ (উলুবেড়িয়া), কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (শ্রীরামপুর),  রত্না দে নাগ (হুগলি), অপরূপা পোদ্দার (আরামবাগ), দিব্যেন্দু অধিকারী (তমলুক), শিশির অধিকারী (কাঁথি), দেব (ঘাটাল), বীরবাহা সোরেন (ঝাড়গ্রাম), মানস ভূঁইয়া (মেদিনীপুর), মৃগাঙ্ক মাহাত (পুরুলিয়া), সুব্রত মুখোপাধ্যায় (বাঁকুড়া), শ্যামল সাঁতরা (বিষ্ণুপুর), সৌগত রায় (দমদম), কাকলী ঘোষ দস্তিদার (বারাসত), নুসরাত জাহান (বসিরহাট), প্রতিমা মণ্ডল (জয়নগর),  চৌধুরী মোহন জাটুয়া (মথুরাপুর), অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (ডায়মন্ড হারবার), মিমি চক্রবর্তী (যাদবপুর), দক্ষিণ মালা রায় (কলকাতা) এবং সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় (কলকাতা উত্তর)।

মঙ্গলবার (১২ মার্চ) তৃণমূল চমক দিয়ে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। এর আগে কালীঘাটে মমতার বাসভবনে তৃণমূলের নির্বাচনী কমিটির বৈঠক হয়। সেখানে হাজির ছিলেন নির্বাচনী কমিটির ১২ জন সদস্য এবং দলের বিভিন্ন জেলার সভাপতিরা।

শুরুতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, আগামী নির্বাচনে সুগত বসু, সন্ধ্যা রায়, উমা সোরেন, ইদ্রিশ আলী, সুব্রত বক্সি অংশ নিচ্ছেন না। এবার ৪১ শতাংশ প্রার্থী নারী। এবারের প্রার্থী তালিকায় রয়েছে বেশ কিছু নতুন মুখ। নারী, সংখ্যালঘু, অভিনেতা ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করে হয়েছে। তবে তালিকায় রাজনীতিকদের গুরুত্ব দেয়া হয়েছে বেশি।

২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা রয়েছেন, অমর সিং রাই (দার্জিলিং), বিজয় চন্দ্র বর্মণ (জলপাইগুড়ি), পরেশচন্দ্র অধিকারী (কোচবিহার), দশরথ তিরকে (আলিপুরদুয়ার), কানাইলাল আগরওয়াল (রায়গঞ্জ), অর্পিতা ঘোষ (বালুরঘাট), কংগ্রেস থেকে এবারই তৃণমূললে যোগ দেয়া মৌসম বেনজীর নূর  (মালদহ উত্তর), মোয়াজ্জেম হোসেন (মালদহ দক্ষিণ),  খলিলুর রহমান (জঙ্গিপুর), আবু তাহের খান  (মুর্শিদাবাদ), অপূর্ব সরকার (বহরমপুর), মহুয়া মৈত্র (কৃষ্ণনগর), রূপালী বিশ্বাস (রানাঘাট),  সুনীল মণ্ডল (বর্ধমান পূর্ব), মমতাজ সংঘমিত্রা (বর্ধমান দুর্গাপুর), মুনমুন সেন (আসানসোল),  অসিত মাল (বোলপুর), শতাব্দী রায় (বীরভূম), মমতাবালা ঠাকুর (বনগাঁ), দীনেশ ত্রিবেদী (ব্যারাকপুর), প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় (হাওড়া), সাজদা আহমেদ (উলুবেড়িয়া), কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (শ্রীরামপুর),  রত্না দে নাগ (হুগলি), অপরূপা পোদ্দার (আরামবাগ), দিব্যেন্দু অধিকারী (তমলুক), শিশির অধিকারী (কাঁথি), দেব (ঘাটাল), বীরবাহা সোরেন (ঝাড়গ্রাম), মানস ভূঁইয়া (মেদিনীপুর), মৃগাঙ্ক মাহাত (পুরুলিয়া), সুব্রত মুখোপাধ্যায় (বাঁকুড়া), শ্যামল সাঁতরা (বিষ্ণুপুর), সৌগত রায় (দমদম), কাকলী ঘোষ দস্তিদার (বারাসত), নুসরাত জাহান (বসিরহাট), প্রতিমা মণ্ডল (জয়নগর),  চৌধুরী মোহন জাটুয়া (মথুরাপুর), অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (ডায়মন্ড হারবার), মিমি চক্রবর্তী (যাদবপুর), দক্ষিণ মালা রায় (কলকাতা) এবং সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় (কলকাতা উত্তর)।

স্বআলো/এসএ