শিরোনাম :
জাতীয় কবি কাজী নজরুলের ১২০ তম জন্মবার্ষিকী আপনার জন্য আজকের রাশিফল পুত্রবধূর নির্যাতন সইতে না পেরে গলায় ফাঁস দিলেন বৃদ্ধ মোবাইল চার্জার মুখে দেয়ায় শিশুর মৃত্যু দেব-মিমি-নুসরাতদের জয় নিয়ে যা বললেন সাকিব বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ইফতার মাহফিল হবিগঞ্জে বজ্রপাতে ২ জনের মৃত্যু ভূমধ্যসাগর থেকে ১৪ বাংলাদেশিসহ ২৯০ অভিবাসী উদ্ধার যশোর জেলা পরিষদের ইফতার মাহফিল ব্র্যাক ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল পদে ৯৬৮০ নিয়োগ ভারতে কোচিং সেন্টারে আগুন, ১৯ শিক্ষার্থীর মৃত্যু শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩৩৮ রান সংগ্রহ দ. আফ্রিকার মোদির রাষ্ট্রে আগুন, নিহত ১৫ ২৬২ রানের টার্গেটে ব্যাট করছে আফগানিস্তান নিষিদ্ধ ৫২ পণ্য বন্ধে ঝালকাঠিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ব্রিটিশের প্রথম মুসলিম প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন সাজিদ জাভিদ অভিযান চালিয়ে অপরিপক্ক ৫০ মণ আম ধ্বংস স্ত্রীকে নকল দিতে গিয়ে এএসআই কারাগারে হবিগঞ্জে পৃথক বজ্রপাতে ৩ জনের মৃত্যু

গরমে হাসপাতালে বেড়েই চলেছে ডায়রিয়া রোগী

গরমে হাসপাতালে বেড়েই চলেছে ডায়রিয়া রোগী

জেলা প্রতিনিধি, বরগুনা :  আবহাওয়া পরিবর্তনে ডায়রিয়া রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। অতিরিক্ত গরম, ফুট পয়জনিং এবং বিশুদ্ধ পানির অভাবে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নারী, পুরুষ ও শিশু মিলে প্রতিদিন গড়ে ভর্তি হচ্ছে ৮০ জন রোগী।

আজ বুধবার  বিকেলে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে  থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, (৬ মে থেকে ১৫ মে) দুপুর পর্যন্ত ৫৬০ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছেন।

বরগুনা পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ফরমান আলী সড়কের বাসিন্দা জাফরের দেড় বছরের মেয়ে জামিলাকে দু’দিন আগে ভর্তি করেছেন। ফরমান বলেন, হাসপাতাল থেকে ইনজেকশন, ওষুধ, স্যালাইনসহ সব কিছু দিয়েছে। বাইরে থেকে কিছু কিনিনি। আমার মেয়ে বর্তমানে মোটামুটি সুস্থ।

আরো পড়ুন>> বরগুনায় ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী আটক

বরগুনা সদর উপজেলার ৬ নম্বর বুড়িরচর ইউনিয়ন থেকে আসা রোগী আয়শা জানান, সকালে ডায়রিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে এখানে ভর্তি হইছি। যেভাবে চিকিৎসা পাওয়ার কথা সেরকম পাচ্ছি না। তাছাড়া বাহির থেকে ইনজেকশন, ওষুধ কিনে চিকিৎসা নিচ্ছি।

বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের  ইনচার্জ ও সিনিয়র স্টাফ নার্স আঁখি আকরিতা জানান, ডায়রিয়া ওয়ার্ডে মাত্র ১২টি বেড। পর্যাপ্ত বেড না থাকায় রোগীদের থাকার স্থান সংকট দেখা দিয়েছে। হাসপাতালে বর্তমানে ইনজেকশন সেফিক্সিম  এক গ্রাম নেই।  যা বাইরে দোকানে মূল্য ২০০ টাকা। তাছাড়া খাওয়ার স্যালাইন, এ্যান্টিবায়োটিক ইনজেকশন হাসপাতাল থেকে সাপ্লাই দেয়া হয়।  তবে রোগীর বেশি সমস্যা হলে ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী  বাইরে  থেকে ওষুধ কিনে চিকিৎসা নিতে হয়।

বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের (আরএমও) তত্ত্বাবধায়ক   জানান,ইনজেকশন সেফট্রিয়াক্সন  এক গ্রাম আনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

স্বাআলো/এম