শিরোনাম :
জাতীয় কবি কাজী নজরুলের ১২০ তম জন্মবার্ষিকী আপনার জন্য আজকের রাশিফল পুত্রবধূর নির্যাতন সইতে না পেরে গলায় ফাঁস দিলেন বৃদ্ধ মোবাইল চার্জার মুখে দেয়ায় শিশুর মৃত্যু দেব-মিমি-নুসরাতদের জয় নিয়ে যা বললেন সাকিব বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ইফতার মাহফিল হবিগঞ্জে বজ্রপাতে ২ জনের মৃত্যু ভূমধ্যসাগর থেকে ১৪ বাংলাদেশিসহ ২৯০ অভিবাসী উদ্ধার যশোর জেলা পরিষদের ইফতার মাহফিল ব্র্যাক ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল পদে ৯৬৮০ নিয়োগ ভারতে কোচিং সেন্টারে আগুন, ১৯ শিক্ষার্থীর মৃত্যু শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩৩৮ রান সংগ্রহ দ. আফ্রিকার মোদির রাষ্ট্রে আগুন, নিহত ১৫ ২৬২ রানের টার্গেটে ব্যাট করছে আফগানিস্তান নিষিদ্ধ ৫২ পণ্য বন্ধে ঝালকাঠিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ব্রিটিশের প্রথম মুসলিম প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন সাজিদ জাভিদ অভিযান চালিয়ে অপরিপক্ক ৫০ মণ আম ধ্বংস স্ত্রীকে নকল দিতে গিয়ে এএসআই কারাগারে হবিগঞ্জে পৃথক বজ্রপাতে ৩ জনের মৃত্যু

চাঁদাবাজির অভিযোগে এসআই প্রত্যাহার

জেলা প্রতিনিধি,টাঙ্গাইল: চাঁদাবাজির অভিযোগে টাঙ্গাইল মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) জেসমিন আক্তারকে প্রত্যাহার ও তার সোর্স বক্কর হোসেনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আজ রবিবার দুপুরে এসআই জেসমিন আক্তারকে টাঙ্গাইল সদর থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে এ ঘটনায় তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে এসআই জেসমিনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়।

সদর থানা পুলিশের এসআই জেসমিনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও হয়রানির অভিযোগে শনিবার রাতে থানা ঘেরাও করে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বেলতা গ্রামের কয়েকশ মানুষ। এ সময় এলাকাবাসী এসআই জেসমিনের বিচার চেয়ে স্লোগান দেয়। পরে পুলিশ ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিলে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী রাত ৯টার দিকে থানা চত্বর ত্যাগ করে বাসায় ফিরে যায়।

এ ঘটনায় শনিবার রাতেই এসআই জেসমিনের সোর্স বক্করকে চাঁদাবাজি মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়। রবিবার দুপুরে টাঙ্গাইল মডেল থানা থেকে এসআই জেসমিন আক্তারকে পুলিশ লাইন্সে প্রত্যাহার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় বলেন, সদর উপজেলার বেলতা গ্রামে কিছুদিন আগে একটি হত্যাকাণ্ড ঘটে। সেই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা তদন্তের নামে টাঙ্গাইল মডেল থানার এসআই জেসমিনের সোর্স পরিচয়ে বক্কর হোসেন। সে স্থানীয়দের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের চাঁদা আদায় করছে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তাদের হত্যা মামলায় আসামি করার হুমকি দেয়। এছাড়া গ্রামের মানুষকে জেসমিন বিভিন্নভাবে হয়রানি করে বলে অভিযোগ গ্রামবাসীর। একইভাবে শনিবার বিকেলে ওই সোর্স বেলতা গ্রামের হাজি আয়নাল হকের কাছে টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে হত্যা মামলায় তাকে ফাঁসিয়ে দেয়া হবে বলে শাসানো হয়। এ ঘটনায় গ্রামবাসী তাকে আটক করে। খবর পেয়ে এসআই জেসমিন তাকে উদ্ধার করতে গেলে গ্রামবাসী তাকে ঘিরে ফেলে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের উদ্ধার করে।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় বলেন, শনিবার রাতে এসআই ও সোর্সের বিচার দাবিতে থানা ঘেরাও করে এলাকাবাসী। এ ঘটনায় রাতেই এসআইয়ের সোর্স বক্করকে চাঁদাবাজির মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়। রোববার দুপুরে টাঙ্গাইল মডেল থানা থেকে এসআই জেসমিন আক্তারকে পুলিশ লাইন্সে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে। এ ঘটনা তদন্তে জেলা পুলিশের একজন সিনিয়র অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তবে গ্রামবাসীর এসব অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবি করেছেন টাঙ্গাইল মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) জেসমিন আক্তার।

স্বাআলো/এসএ