শিরোনাম :
পঞ্চগড়সহ ৪ জেলার পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার শ্রীলঙ্কায় নিহতের সংখ্যায় কমেছে ১০৬ জন ইলিশ ধরায় ১৩ জনকে ৭ দিনের কারাদণ্ড দ্বিতীয় অধিবেশনে প্রশ্ন রয়েছে ১০৮৪টি কাঙ্খিত মান অর্জন সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হবে : শিক্ষামন্ত্রী চেয়ারম্যানের গুলিতে কৃষক নিহত শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধের কারাদণ্ড বিএনপির নেতা জাহিদ শপথ নেয়ায় ভোটাররা আনন্দিত বরগুনায় উপজেলা চেয়ারম্যানদের শপথ গ্রহণ সরকারি চাকরিতে আপাতত বয়সসীমা ৩৫ হচ্ছে না আগামী ১০ মে ১৬ জেলায় প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা হাজী সরদার মর্ত্তুজ আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন টিসিবির পণ্য উত্তোলন করলেও গাইবান্ধায় শুরু হয়নি বিক্রি ওসির ফেসবুক আইডি হ্যাকড ইবিতে চট্টগ্রাম সমিতির বিদায় ও নবীণ বরণ পিরোজপুরে উপজেলা চেয়ারম্যানদের শপথ গ্রহণ সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ করার প্রস্তাব নুসরাত হত্যা মামলায় শাকিল গ্রেপ্তার স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক কারাগারে নুসরাত হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবি ‘রমজানে রংপুর বিভাগকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেয়া হবে’ ধর্মঘটকে পুঁজি করে অটোর ভাড়া দ্বিগুণ ইউনিসেফের ‘শিশু অধিকার’ প্রতিনিধি হলেন মিরাজ পরীক্ষা কেন্দ্রে যৌন হয়রানির অভিযোগে প্রদর্শক কারাগারে বখাটের হাত থেকে রক্ষা পেতে শিক্ষকের সংবাদ সম্মেলন

মানবপাচার মামলায় চারজনের যাবজ্জীবন দণ্ড

মেয়ে-জামাইকে দাওয়াত দিয়ে বাড়ি ফেরা হলো না

নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর :  মানবপাচার মামলায় চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক টিএম মুছা এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হচ্ছে, সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার হেলাতলা গ্রামের নজরুল ইসলাম, তার স্ত্রী ফুলজান বিবি, কার্তিক চন্দ্র হালদার এবং একই জেলার কুশোডাঙ্গা গ্রামের নূর হোসেন। এদের মধ্যে কার্তিক চন্দ্র ও নূর হোসেন রায় ঘোষণার সময় আদালতে হাজির ছিলো। অন্য দুইজন পলাতক রয়েছে। এছাড়া এ মামলায় অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় পাঁচজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

আরো পড়ুন>> যশোরে শিশু ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে পুরোহিত আটক

আদালতের বিশেষ পিপি এম ইদ্রিস আলী মামলার নথির বরাত দিয়ে জানান, ২০০৮ সালে নজরুল ইসলামসহ কয়েকজন যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার চণ্ডিপুর গ্রামে দিনমজুরের কাজ করতে আসেন। তারা ওই গ্রামের একটি বাড়িতে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন। পরে তারা সেই বাড়িওয়ালার দুই মেয়েকে ঢাকায় ভালো কাজ দেয়ার কথা বলে গোপনে নিয়ে যায়। এরপর তাদের কৌশলে ভারতে পাচার করা হয়। এ ঘটনায় দুই বোনের বাবা নয়জনের বিরুদ্ধে বাঘারপাড়া থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে বাঘারপাড়া থানার পুলিশ ২০০৮ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর সাজাপ্রাপ্ত চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। অন্যদের অব্যহতির আবেদন করে। তবে আদালত নয়জনের বিরুদ্ধেই অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

ইদ্রিস আলী বলেন, এ মামলার সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আদালত চারজনকে দোষী সাব্যস্ত করে মানবপাচার দমন আইনের ৫/১ ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। এছাড়া দশ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে প্রত্যেককে আরো ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেয়া হয়।

তাছাড়া একই আইনের ৬/১ ধারায় প্রত্যেককে আরো ১২ বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। দুই সাজা একই সঙ্গে চলবে বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে।

স্বাআলো/এম