আজ বুধবার ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ইং ৮ ফাল্গুন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ বসন্তকাল ১৪ জমাদিউস-সানি, ১৪৪০ হিজরী
শিরোনাম :
বন্দুকযুদ্ধে’ ছিনতাইকারী গুলিবিদ্ধ আজও বার্সেলোনা ড্র করেছে আজ দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী শুরুতেই তিন উইকেট হারাল বাংলাদেশ ঢাকায় অস্ট্রেয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ৩৩১ রানের টার্গেটে ব্যাট করছে বাংলাদেশ ২০ ফেব্রুয়ারি দিনটি কেমন যাবে ইতিহাস ঐতিহ্যে ভরপুর ঝিনাইদাহের বারোবাজার ইউসিবিএল ব্যাংকের ম্যানেজারের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রাজ্জাকের পদত্যাগকে স্বাগত জানালেন ড. কামাল ৩১ শিশুর দেহাবশেষ উদ্ধারের ঘটনায় দুই ডাক্তার বরখাস্ত মণিরামপুরে ভাইয়ের হাতে বোন খুন জেনে নিন, আনারস আর দুধ একসাথে খেলে কি হয় ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ১৬টি অঙ্গরাজ্যের মামলা সড়ক দুর্ঘটনায় ডিশ ব্যবসায়ী নিহত নদী আর গহীন অরণ্যের মাঝে ঘুরে আসুন সুন্দরবন চুয়াডাঙ্গায় সোলার লাইট স্থাপন কার্যক্রম উদ্বোধন পুলিশ হেফাজতে সালমান মুক্তাদির জিজ্ঞাসাবাদ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞানের ২০ শতাংশ অগ্রাধিকার নকলের সুযোগ না দেয়ায় শিক্ষিকাকে জুতাপেটা স্মার্ট কার্ড পেয়েছেন, জেনে নিন কি কি সুবিধা পাবেন চৌগাছায় আ.লীগ নেতা হত্যায় ১৭ জনের নামে মামলা মুক্তির অপেক্ষায় ‘বিউটি সার্কাস’: জয়া ও ফেরদৌস ১৫ মার্চ থেকে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা শুরু কাশিয়ানীতে কোচিং সেন্টারে অভিযান: পোড়ানো  হলো বেঞ্চ

১০ বছর অনুপস্থিত থেকে বেতন নিচ্ছেন শিক্ষক রেজাউর

১০ বছর অনুপস্থিত থেকে বেতন নিচ্ছেন শিক্ষক রেজাউর

বিশ্বাস আমিন, যশোর : যশোরের গাজির দরগাহ ফাজিল মাদ্রাসার আরবি বিভাগের সহকারি অধ্যাপক রেজাউর রহমান ১০ বছর ধরে বাড়ি বসে বেতন উত্তোলন করছেন। একটি প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের ননকোয়ালিফাইড শিক্ষককে দিয়ে তার কয়েকটি ক্লাস করানো হচ্ছে। বাকি ক্লাসগুলো অন্য শিক্ষকদের দিয়ে করাতে বাধ্য করা হচ্ছে। এসব অপকর্ম আড়াল করতে এ শিক্ষক প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মাওলানা বজলুর রহমানকে মাসিক মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে ম্যানেজ করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা, গাজির দরগাহ ফাজিল মাদ্রাসার আরবি বিভাগের সহকারি অধ্যাপক রেজাউর রহমান প্রায় ১০ বছর যাবদ মাদ্রাসায় আসেন না। ক্লাস সহ কোন প্রকার অফিসিয়াল দায়িত্ব পালন করেন না। তিনি সব সময় শহরের রাজারহাট এলকায় গোড়াগাছা গ্রামে নিজ বাড়িতে থাকেন। তার পরিবর্তে তিনি প্রাইভেটভাবে গাজির দরগাহ এতিমখানায় দায়িত্বপ্রাপ্ত ননকোলিফাইড শিক্ষক ইদ্রিস আলীকে দিয়ে ক্লাস করান। শুধুমাত্র বেতন-ভাতা সহ অন্যান্য আর্থিক সুবিধা নেওয়ার সময় এ শিক্ষক মাদ্রাসায় আসেন। সেই দিনই হাজিরা খাতা সহ সকল আর্থিক সুবিধা নিতে বিল-ভাউচারে পুরো মাসের স্বাক্ষর করেন। ইদ্রিস আলী একটি এতিমখানার শিক্ষক হওয়ায় তাকে দিয়ে সকল গুরুত্বপূর্ণ ক্লাস করানো সম্ভব হয় না। এতে শিক্ষার্থীদের দুভোর্গে পড়তে হয়। সেই কারণে প্রতিষ্ঠানের চাপে অন্য শিক্ষকদের রেজাউর রহমানের ক্লাস অতিরিক্ত হিসেবে নিতে বাধ্য করা হয়। তাই এ বিষয়ের শিক্ষকরা মানসিক বেশ চাপের মধ্যে আছেন।

আরো পড়ুন>>> যশোর জেলা পরিষদ কর্মকর্তা-কর্মচারি সমিতির নির্বাচন শনিবার

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের উপাধ্যক্ষ মাওলানা শহিদুল ইসলাম বলেন, প্রায় বছর দশেক আগে থেকে রেজাউর রহমান অসুস্থতার কারণে মাদ্রাসায় আসেন না। সপ্তাহে এক বা দুইদিন এসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন। শারীরিক ভাবে রেজাউর রহমান খুবই অসুস্থ। তার সকল ক্লাস করানোর জন্য তিনি একজন অপশনাল শিক্ষক রেখেন। সেই সময়ের প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ডাক্তার মোস্তাফিজুর রহমান মুসা রেজুলেশনের মধ্যে তাকে এ সুবিধা দিয়েছেন। সেই সময় থেকে তিনি এ সুবিধা পাচ্ছেন।

অধ্যক্ষ মাওলানা বজলুর রহমান বলেন, রেজাউর রহমান ছুটিতে আছেন। তিনি ক্লাসে আসেন না এসব ভিত্তিহীন। আমি তাকে অনৈতিক কোন সুবিধা দিই না। রেজাউর রহমানের কাছ থেকে মাসিক সুবিধা গ্রহণ করে এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা।

অভিযুক্ত সহকারি অধ্যাপক রেজাউর রহমানের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করতে অধ্যক্ষ মাওলানা বজলুর রহমানের কাছে তার মোবাইল নম্বর চাওয়া হলে তিনি দিতে অস্বীকার করেন।

  স্বাআলো/এএম