শিরোনাম :
রোহিঙ্গারা স্বাস্থ্যসেবায় ৫০ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে চার সংস্থা প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি অস্থায়ী কর্মপরিষদের দুর্নাম ঘোচাতে বাকসু নির্বাচন দাবি কাল জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বৈঠক বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন শ্রদ্ধা সঙ্গে রোহান দীর্ঘ দিনের প্রেমিকাকে বিয়ে করছেন মিরাজ ৮ম স্কেলে বেতনসহ ১০ দফা দাবি প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রথম দিন থেকেই আইপিএলে থাকছেন সাকিব মাগুরায় আন্তর্জাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবস পালিত দাবি আদায়ে খুলনার শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ বিএনপি সব ঘটনায় উস্কানি দেয়ার চেষ্টা করে: হানিফ খুলনার রূপসায় ট্রলি চাপায় শিশু নিহত এইচএসসি পরীক্ষার্থী হৃদয় নিহত স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা এবার তিন সেনা সদস্য খুন সহকর্মীর হাতে নিউজিল্যান্ডে সব ধরনের আধা-স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র নিষিদ্ধের ঘোষণা ঠোঁটের কালচে দাগ দূর করার উপায় কুমিল্লায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ১১ মামলার আসামি নিহত আজকের খেলা আগামীকাল মোস্তাফিজের বিয়ে সুপ্রভাত-জাবালে নূর বাস চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আজ পদ্মা সেতুর নবম স্প্যান বসছে ২১ মার্চ দিনটি কেমন যাবে নির্বাচনী প্রচারণা শেষে প্রার্থী ফেরার পর শংকরপুরে বোমাবাজি চাকসু নির্বাচনে বৃহস্পতিবার কমিটি গঠন

দেখভালের অভাবে ঠাকুরগাঁওয়ে মরে যাচ্ছে ১১ হাজার কাঁঠাল গাছ

প্রায় ১১ হাজার কাঁঠাল গাছ অরক্ষিত হয়ে পড়েছে

জেলা প্রতিনিধি, ঠাকুরগাঁও: ঠাকুরগাঁও-রুহিয়া সড়কের প্রায় ১১ হাজার কাঁঠাল গাছ অরক্ষিত হয়ে পড়েছে। কিছু অসাদু লোক অবাধে কেটে নিয়ে যাচ্ছে এসব গাছের ডালপালা। এতে বেশ কিছু গাছ ইতোমধ্যে মরেও গেছে। যত্নের অভাবে ধীরে ধীরে মারা যাচ্ছে একের পর এক গাছ। এদিকে শুধু মাইকিং করে ডালপালা না কাটার নিষেধাজ্ঞা জারি করে দ্বায়িত্ব শেষ করেছে জেলা পরিষদ।

১৯৯৬ সালের দিকে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা অর্গানাইজেশন ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট (ওআরডি) ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ঠাকুরগাঁও-রুহিয়া ও ঢোলরহাট-ফাঁড়াবাড়ি সড়কের দুই ধারে ১১ হাজার কাঁঠাল গাছের চারা রোপণ করে। পরে সেগুলো দেখভাল ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দেয়া হয় সদর উপজেলার আকচা, রাজাগাঁও রুহিয়া ইউনিয়ন পরিষদকে।

পরবর্তীতে গাছগুলো রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ বেশ কয়েকজন লোক নিয়োগ করে। গাছের শুকনো ডালপালা ও ফল বিক্রি করে তাদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হতো। নিয়োগ পাওয়া লোকগুলো সাইকেল যোগে ঘুরে ঘুরে গাছগুলো দেখাশোনা করত। তাদের নিয়মিত যত্ন আর পরিচর্যায় কাঁঠাল গাছগুলো দ্রুত বেড়ে উঠতে শুরু করে। ২০০৩ সালের দিকে সেই গাছে ফল আসতে শুরু করে। ওই বছরই ৩ লাখ ৭ হাজার টাকার কাঁঠাল বিক্রি করে ইউনিয়ন পরিষদ।

আরো পড়ুন>>>ঠাকুরগাঁওয়ের সেই পরিবার পেল আর্থিক অনুদান

এরপরেই জেলা পরিষদ গাছগুলোর দেখাশোনার দায়িত্ব নিয়ে নেয়। পরে জেলা পরিষদ রক্ষণাবেক্ষণের কোন উদ্যোগ না নেয়ায় এলাকার লোকজন গবাদী পশুর খাদ্যের জন্য গাছের পাতা কাটতে শুরু করে। গাছের পাতা কেটেও ক্ষান্ত হয়নি তারা। অনেকেই জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করার জন্য একের পর এক গাছের ডালপালাও কেটে নিয়ে যায়। এর ফলে ইতোমধ্যে কয়েক হাজার গাছ মরে গেছে। আবার কিছু গাছ পাতা-ডালহীন অবস্থায় মৃত্যুর জন্য প্রহর গুনছে।

আকচা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান  গোলাম সারোয়ার চৌধুরী বলেন, কাঁঠাল গাছগুলো ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বে থাকাকালীন সব সময় সেগুলো নজরে রাখা হতো। ফলে এলাকার লোকজন ডাল-পাতা কেটে নিয়ে যেতে সাহস পেত না। সে সময় কাঁঠাল বিক্রি করে দুই থেকে তিন লাখ টাকা বিক্রি রাজস্ব আয় হতো। এখন মানুষ সেগুলো কেটে নিয়ে যাচ্ছে। জেলা পরিষদের দায়িত্বে চলে যাওয়ার পর কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে গাছগুলো মারা যেতে বসেছে।

ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাদেক কুরাইশি বলেন, কাঁঠাল গাছ প্রকল্প থেকে ফল বিক্রি করে বছরে কমপক্ষে ৪ থেকে ৫ লাখ টাকার রাজস্ব আয় করা সম্ভব। কিন্তু জনবলের অভাবে সেগুলো দেখাশোনা করা সম্ভব না হওয়ায় লোকজন অবাধে গাছের ডালপাতা কেটে নিয়ে যাচ্ছে। মাইকিং করেও বন্ধ করা যাচ্ছে না।