শিরোনাম :
ঈদে সড়কে নিরাপত্তা নিয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিলেন ওবায়দুল কাদের গলায় মাছের কাঁটা বিধলে ছাড়িয়ে নেবেন যেভাবে ৫২ মানহীন পণ্য বাজার থেকে সরেনি, ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট জীবনের কঠিন বিপর্যয়ে নিজেকে শক্ত রাখার উপায় আগামীকাল যেসব জেলায় প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা হেজবুত তওহীদের বিরুদ্ধে ভ্রান্ত ধারণা দেয়ার অভিযোগ মমতার রাজ্যে গেরুয়াদের হানা আগামীকাল প্রাথমিকের প্রথম ধাপের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আপনি কি সিলিকা জেল ফেলে দেন! অনেক উপকারী এটি এবার সিপিএলে দল পেলেন বাংলাদেশের আফিফ ফের দিল্লির মসনদে মোদি প্রকাশ্যে টিকটক তারকাকে গুলি করে হত্যা বিজেপির জয়ের আভাসে আতঙ্কিত ভারতীয় মুসলিম ট্রেনের অগ্রিম টিকিট: ২য় দিনেও উপচে পড়া ভিড় ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে অনলাইন প্রোফাইল! অনলাইনে পণ্য বিক্রির নামে প্রতারণা, আটক ৭ হঠাৎ মাতামুহুরী সেতুর অচলাবস্থা, চরম ভোগান্তিতে দূরপাল্লার যাত্রী বিশ্বকাপে কোহলির পায়ে থাকবে স্বর্ণের জুতা বাঞ্ছারামপুরে মাদকসহ আটক ২ পারমাণবিক যুদ্ধের সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে বিশ্ব : জাতিসংঘ

দেখভালের অভাবে ঠাকুরগাঁওয়ে মরে যাচ্ছে ১১ হাজার কাঁঠাল গাছ

প্রায় ১১ হাজার কাঁঠাল গাছ অরক্ষিত হয়ে পড়েছে

জেলা প্রতিনিধি, ঠাকুরগাঁও: ঠাকুরগাঁও-রুহিয়া সড়কের প্রায় ১১ হাজার কাঁঠাল গাছ অরক্ষিত হয়ে পড়েছে। কিছু অসাদু লোক অবাধে কেটে নিয়ে যাচ্ছে এসব গাছের ডালপালা। এতে বেশ কিছু গাছ ইতোমধ্যে মরেও গেছে। যত্নের অভাবে ধীরে ধীরে মারা যাচ্ছে একের পর এক গাছ। এদিকে শুধু মাইকিং করে ডালপালা না কাটার নিষেধাজ্ঞা জারি করে দ্বায়িত্ব শেষ করেছে জেলা পরিষদ।

১৯৯৬ সালের দিকে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা অর্গানাইজেশন ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট (ওআরডি) ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ঠাকুরগাঁও-রুহিয়া ও ঢোলরহাট-ফাঁড়াবাড়ি সড়কের দুই ধারে ১১ হাজার কাঁঠাল গাছের চারা রোপণ করে। পরে সেগুলো দেখভাল ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দেয়া হয় সদর উপজেলার আকচা, রাজাগাঁও রুহিয়া ইউনিয়ন পরিষদকে।

পরবর্তীতে গাছগুলো রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ বেশ কয়েকজন লোক নিয়োগ করে। গাছের শুকনো ডালপালা ও ফল বিক্রি করে তাদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হতো। নিয়োগ পাওয়া লোকগুলো সাইকেল যোগে ঘুরে ঘুরে গাছগুলো দেখাশোনা করত। তাদের নিয়মিত যত্ন আর পরিচর্যায় কাঁঠাল গাছগুলো দ্রুত বেড়ে উঠতে শুরু করে। ২০০৩ সালের দিকে সেই গাছে ফল আসতে শুরু করে। ওই বছরই ৩ লাখ ৭ হাজার টাকার কাঁঠাল বিক্রি করে ইউনিয়ন পরিষদ।

আরো পড়ুন>>>ঠাকুরগাঁওয়ের সেই পরিবার পেল আর্থিক অনুদান

এরপরেই জেলা পরিষদ গাছগুলোর দেখাশোনার দায়িত্ব নিয়ে নেয়। পরে জেলা পরিষদ রক্ষণাবেক্ষণের কোন উদ্যোগ না নেয়ায় এলাকার লোকজন গবাদী পশুর খাদ্যের জন্য গাছের পাতা কাটতে শুরু করে। গাছের পাতা কেটেও ক্ষান্ত হয়নি তারা। অনেকেই জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করার জন্য একের পর এক গাছের ডালপালাও কেটে নিয়ে যায়। এর ফলে ইতোমধ্যে কয়েক হাজার গাছ মরে গেছে। আবার কিছু গাছ পাতা-ডালহীন অবস্থায় মৃত্যুর জন্য প্রহর গুনছে।

আকচা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান  গোলাম সারোয়ার চৌধুরী বলেন, কাঁঠাল গাছগুলো ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বে থাকাকালীন সব সময় সেগুলো নজরে রাখা হতো। ফলে এলাকার লোকজন ডাল-পাতা কেটে নিয়ে যেতে সাহস পেত না। সে সময় কাঁঠাল বিক্রি করে দুই থেকে তিন লাখ টাকা বিক্রি রাজস্ব আয় হতো। এখন মানুষ সেগুলো কেটে নিয়ে যাচ্ছে। জেলা পরিষদের দায়িত্বে চলে যাওয়ার পর কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে গাছগুলো মারা যেতে বসেছে।

ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাদেক কুরাইশি বলেন, কাঁঠাল গাছ প্রকল্প থেকে ফল বিক্রি করে বছরে কমপক্ষে ৪ থেকে ৫ লাখ টাকার রাজস্ব আয় করা সম্ভব। কিন্তু জনবলের অভাবে সেগুলো দেখাশোনা করা সম্ভব না হওয়ায় লোকজন অবাধে গাছের ডালপাতা কেটে নিয়ে যাচ্ছে। মাইকিং করেও বন্ধ করা যাচ্ছে না।